ক্ষতিগ্রস্ত হাফলং-লামডিং মহাসড়কের অগ্রগতি পর্যালোচনা মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের
হাফলং (অসম), ১৩ জুন (হি.স.) : ডিমা হাসাও জেলার অভিভাবক মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল হাফলং থেকে গুয়াহাটি যাওয়ার পথে নিরিমবাংলো এলাকার গেরেম এলাকায় হাফলং-লামডিং জাতীয় সড়কের ৩.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শন করে পুনর্নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্য
ক্ষতিগ্রস্ত হাফলং–লামডিং মহাসড়কের অগ্রগতি পর্যালোচনা মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের


হাফলং (অসম), ১৩ জুন (হি.স.) : ডিমা হাসাও জেলার অভিভাবক মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল হাফলং থেকে গুয়াহাটি যাওয়ার পথে নিরিমবাংলো এলাকার গেরেম এলাকায় হাফলং-লামডিং জাতীয় সড়কের ৩.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শন করে পুনর্নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। ২০২২ সালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এই অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর ফলে ওই সড়কপথে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত ছিল।

জাতীয় সড়ক পরিদর্শনকালে মন্ত্ৰীর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা কমিশনার শৌর্য শর্মা। প্রস্তাবিত বিকল্প সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতিও খতিয়ে দেখেছেন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল। সঙ্গী আধিকারিকরা তাঁকে জানান, বিকল্প সড়কের ১.৩ কিলোমিটার অংশের স্ট্যাটাস রিপোর্ট ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। আগামী ১৮ জুন টেন্ডার জমা ও খোলার কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা।

আধিকারিকরা মন্ত্রীকে জানান, প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে। জনস্বার্থে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়ক পুনর্নির্মাণ এবং বিকল্প সড়ক নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আগামী ১৭ জুন শিলচরে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক আহ্বান করেছেন মন্ত্রী। ওই বৈঠকে ডিমা হাসাও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর, বৈঠকে জেলা প্রশাসন, উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (এনএইচএআই)-এর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাফলং-লামডিং মহাসড়কের একাধিক অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর ফলে ডিমা হাসাও জেলা, বরাক উপত্যকা এবং রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কাংশের স্থায়ী পুনরুদ্ধার এবং নিরাপদ বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে রাজ্য সরকার অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande