
আগরতলা, ১৩ জুন (হি.স.) : সাংবাদিকদের সন্তানদের সাফল্য শুধু পরিবারের নয়, সমাজেরও গর্ব। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সমাজ ও রাজ্যের উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানালেন আগরতলা পির নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার। শনিবার আগরতলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকদের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সন্তানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও আগরতলা প্রেসক্লাব আগরতলায় কর্মরত সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকদের সন্তানদের কৃতিত্বকে সম্মান জানাতে বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আগরতলা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার, ক্লাবের অন্যান্য সদস্য-সদস্যা, সাংবাদিক ও অভিভাবকরা।
অনুষ্ঠানে এ বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৪ জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে, পুষ্পস্তবক ও স্মারক প্রদান করে সংবর্ধিত করা হয়। অতিথিরা প্রত্যেক কৃতী শিক্ষার্থীর সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দীপক মজুমদার বলেন, “যারা বছরের পর বছর রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে মানুষের খবর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কঠিন দায়িত্ব পালন করেন, তাঁদের সন্তানদের এই সাফল্য সত্যিই গর্বের বিষয়। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।”
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক পরিবারের সন্তানদের মধ্যে অধ্যবসায়, মেধা ও প্রতিভার পরিচয় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। জীবনের পরবর্তী ধাপে তাঁরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন। মেয়রের মতে, সমাজ ও রাজ্যের উন্নয়নে শিক্ষিত ও মেধাবী তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকেও কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, আগামী দিনেও সাংবাদিক পরিবারের সন্তানদের শিক্ষাক্ষেত্রে উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
সংবর্ধনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকরা। তাঁরা আগরতলা প্রেসক্লাবের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শেষে কৃতী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অতিথিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোকচিত্রে অংশ নেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ