আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের অভিযোগ, ফলতার দেবীপুরে চাঞ্চল্য
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১৪ জুন (হি. স.): আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে নেওয়া কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা ব্লকের দেবীপুর অঞ্চলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, দেবীপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমিত্
আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের অভিযোগ, ফলতার দেবীপুরে চাঞ্চল্য


দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১৪ জুন (হি. স.): আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে নেওয়া কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা ব্লকের দেবীপুর অঞ্চলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, দেবীপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমিত্র মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ দুই সহযোগী সুমিত হালদার ও সুমন্ত মণ্ডল এলাকার কয়েকজন আবাস উপভোক্তার কাছ থেকে আগে নেওয়া টাকা ফেরত দিচ্ছেন। রবিবার সকালে এই খবরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

রবিবার স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আবাস প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উপভোক্তাদের কাছ থেকে যে টাকা নেওয়া হয়েছিল, সেই অর্থই বর্তমানে ধাপে ধাপে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দেবীপুর অঞ্চলের ৮০ নম্বর বুথ এলাকার বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

অভিযোগের আঙুল উঠেছে দেবীপুর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের দিকেও। উল্লেখ্য, অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সৌমিত্র মণ্ডলের স্ত্রী রিম্পা মণ্ডল ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য। ফলে বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, যদি সত্যিই কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে কেন আগে টাকা নেওয়া হয়েছিল এবং কার নির্দেশে এই অর্থ আদায় করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা উচিত।

যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।

আবাস যোজনাকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগ ঘিরে দেবীপুর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে প্রশাসনিক তদন্তের দাবি উঠছে স্থানীয় মহলে। এদিন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা বলেন, “ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কেন কাটমানির টাকা নেওয়া হয়েছিল, কার কথায় সেই টাকা নেওয়া হয়েছিল? তবে বিলম্বিত বোধোদয় হয়েছে এই সব তৃণমূল নেতাদের।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande