দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরির কোপ, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীরও—বিষ্ণুপুরে চাঞ্চল্য
বাঁকুড়া, ১৭ জুন (হি.স.): দাম্পত্য বিবাদের জেরে স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ মারার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক পরিযায়ী শ্রমিক। বুধবার সকালে বিষ্ণুপুর শহরের কুড়চিবন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গ
দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরির কোপ, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীরও—বিষ্ণুপুরে চাঞ্চল্য


বাঁকুড়া, ১৭ জুন (হি.স.): দাম্পত্য বিবাদের জেরে স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ মারার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক পরিযায়ী শ্রমিক। বুধবার সকালে বিষ্ণুপুর শহরের কুড়চিবন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থায় নিজেই স্কুটি চালিয়ে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে পৌঁছন অভিযুক্ত স্বামী অভিজিৎ পাল। ঘটনাটি জানাজানি হতেই পুলিশ গিয়ে তাঁর স্ত্রী পূজা পালকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে একই হাসপাতালে ভর্তি করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ পালের সঙ্গে হুগলির মায়াপুরের বাসিন্দা পূজা মাঝির বিয়ে হয় কয়েক বছর আগে। প্রায় তিন মাস আগে তাঁরা বিষ্ণুপুর শহরের কুড়চিবন এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। অভিজিৎ বেঙ্গালুরুতে সোনার দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করতেন, স্ত্রী থাকতেন বিষ্ণুপুরেই।

জানা যায়, আর্থিক টানাপোড়েন সহ বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। গত ১৫ জুন বেঙ্গালুরু থেকে বাড়ি ফেরার পর থেকেই তাঁদের মধ্যে ফের তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ওইদিন অভিজিৎ বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সুস্থ হয়ে মঙ্গলবার তিনি বাড়ি ফেরেন।

এরপর ফের দম্পতির মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। বুধবার সকালে নতুন করে বিবাদের সময়ই অভিযোগ, অভিজিৎ একটি ছুরি নিয়ে স্ত্রী পূজার ওপর হামলা চালান এবং এলোপাথাড়ি কোপ মারেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরই অভিযুক্ত স্বামী নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং স্কুটি নিয়ে হাসপাতালে যান।

ঘটনার খবর পেয়ে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে আহত পূজাকে উদ্ধার করে ভর্তি করে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande