জলমগ্ন আলিপুর চিড়িয়াখানায় , পাইপলাইন লিক হওয়ার পর ঘটনাস্থলে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল
কলকাতা, ১৯ জুন (হি.স.) : মহানগর কলকাতায় লাগাতার ভারী বৃষ্টির জেরে আলিপুর চিড়িয়াখানার একটি অংশে জল জমে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, চিড়িয়াখানার ওপর দিয়ে যাওয়া আদি গঙ্গার জল সরবরাহকারী পাইপলাইনে ফাটল হওয়ার কারণে বিপুল পরিমাণ জল সেখা
অগ্নিমিত্রা পাল


কলকাতা, ১৯ জুন (হি.স.) : মহানগর কলকাতায় লাগাতার ভারী বৃষ্টির জেরে আলিপুর চিড়িয়াখানার একটি অংশে জল জমে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, চিড়িয়াখানার ওপর দিয়ে যাওয়া আদি গঙ্গার জল সরবরাহকারী পাইপলাইনে ফাটল হওয়ার কারণে বিপুল পরিমাণ জল সেখানে জমা হতে শুরু করে, যার ফলে চিড়িয়াখানা চত্বরের একটি অংশ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এম ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। মন্ত্রী জানান যে, সকালে কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার তাঁকে ফোন করে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং জানান যে পাইপলাইন লিক হওয়ার কারণে আলিপুর চিড়িয়াখানায় জল ঢুকছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কালবিলম্ব না করে কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (কেএমসি) একটি বিশেষ দলকে কাজে লাগানো হয়। দুটি বড় সাকশন যান এবং মোটর চালিত পাম্পের সাহায্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জল নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়। এর পাশাপাশি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও অতিরিক্ত মোটরের মাধ্যমে জল বের করার ব্যবস্থা করা হয়।

মন্ত্রী আরও জানান, জল জমার সবচেয়ে বেশি প্রভাব দেখা গেছে ক্যাঙারু এবং শিম্পাঞ্জিদের এনক্লোজার বা খাঁচা সংলগ্ন এলাকায়। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, একটানা বৃষ্টির কারণে কলকাতার একাধিক অংশে জল জমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তবে সরকার ও পুরনিগম সম্পূর্ণ সক্রিয় রয়েছে এবং প্রতিটি অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যেকোনো ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হলে তাঁরা যেন কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের হেল্পলাইন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে যে, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চিড়িয়াখানা চত্বর থেকে জমে থাকা জল সম্পূর্ণ বের করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তোলা সম্ভব হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande