৩০ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণীর দাবি, কুস্থলিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হল মা বগলামুখী দেবীর মন্দির
বাঁকুড়া, ১৯ জুন (হি.স.): বাঁকুড়ার কুস্থলিয়া অঞ্চলের লালপুরে আধ্যাত্মিক পরিবেশে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মা বগলামুখী দেবীর মন্দিরের উদ্বোধন ও বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হল। শুক্রবার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান রাজ্
৩০ বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী পূরণ, মা বগলামুখী দেবী মন্দিরে প্রতিষ্ঠা, শুভেচ্ছা আগ্নিমিত্রার


বাঁকুড়া, ১৯ জুন (হি.স.): বাঁকুড়ার কুস্থলিয়া অঞ্চলের লালপুরে আধ্যাত্মিক পরিবেশে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মা বগলামুখী দেবীর মন্দিরের উদ্বোধন ও বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হল। শুক্রবার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান রাজ্যের নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মন্দিরের উদ্বোধন করেন মহারাজ সমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী। অনুষ্ঠানে বহু সাধু-সন্ত, বিশিষ্ট ব্যক্তি, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হৃদয় হালদারের দাবি, এই মন্দির প্রতিষ্ঠার পিছনে রয়েছে তিন দশক আগের এক ভবিষ্যদ্বাণীর ইতিহাস। তাঁর কথায়, প্রায় ৩০ বছর আগে তাঁর দাদা মাত্র নয় বছর বয়সে এক সাধকের কাছ থেকে মা বগলামুখীর বিগ্রহ পান। সেই সময় ওই সাধক নাকি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, ৩০ বছর পর হৃদয় হালদারের হাত ধরেই দেবীর প্রতিষ্ঠা হবে এবং এই মন্দিরের পরিচিতি দূরদূরান্তে ছড়িয়ে পড়বে।

পরিবারের দাবি, সেই ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই গত ৩০ বছর ধরে বিগ্রহটি একটি ঢাকা বাক্সে সংরক্ষণ করে নিয়মিত পূজা করা হয়েছে। অবশেষে বৃহস্পতিবার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেবীর বিগ্রহ মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিগ্রহ উন্মোচনের মুহূর্তে পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

হৃদয় হালদার বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মা বগলামুখীর প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন করতে পেরে তিনি নিজেকে ধন্য ও সৌভাগ্যবান মনে করছেন।

মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে গোটা এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। দিনভর ভক্তদের ভিড় এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande