৫,৯৭৮ কোটির বিনিয়োগ প্রতারণা মামলায় নওহেরা শেখের ২৩ সম্পত্তি নিলামে, উঠল ১৫৯ কোটি টাকা
নয়াদিল্লি, ২০ জুন (হি.স.) : প্রায় ৫,৯৭৮ কোটি টাকার কথিত বিনিয়োগ প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত নওহেরা শেখ এবং হিরা গ্রুপ অব কোম্পানিজের ২৩টি অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। নিলামে সম্পত্তিগুলির মোট মূল্য উঠেছে প্রায় ১৫৯
ইডি


নয়াদিল্লি, ২০ জুন (হি.স.) : প্রায় ৫,৯৭৮ কোটি টাকার কথিত বিনিয়োগ প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত নওহেরা শেখ এবং হিরা গ্রুপ অব কোম্পানিজের ২৩টি অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। নিলামে সম্পত্তিগুলির মোট মূল্য উঠেছে প্রায় ১৫৯ কোটি টাকা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গত ১৯ জুন এমএসটিসি-র (মেটাল স্ক্র্যাপ ট্রেড কর্পোরেশন লিমিটেড) মাধ্যমে এই নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার ইডি জানিয়েছে, হায়দরাবাদ জোনাল অফিসের তদন্তে উঠে এসেছে, নওহেরা শেখ ও হিরা গ্রুপ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৫,৯৭৮ কোটিরও বেশি টাকা সংগ্রহ করেছিল। পরে বিনিয়োগকারীদের মূলধনও ফেরত দেওয়া হয়নি। অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার বিনিয়োগকারী এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

সংস্থার দাবি, নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়া এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের কাজে ব্যবহার করা হবে।

ইডি আরও জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে ব্যর্থ হন নওহেরা শেখ। এর জেরে তাঁর জামিন বাতিল করে শীর্ষ আদালত। পরে গত ৭ মে হায়দরাবাদের বিশেষ পিএমএলএ আদালত তাঁর বিরুদ্ধে অজামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর ২১ মে গুরগাঁও থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। আদালতে তোলা হলে তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

তদন্তে নওহেরা শেখের ব্যক্তিগত সহকারী নাজনিন আনসারি ওরফে আবিদার নামও সামনে এসেছে। ইডির অভিযোগ, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি দখল ও ব্যবহারের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও তিনি নিলাম প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং সম্পত্তিগুলিকে নিষ্পত্তির আওতার বাইরে দেখানোর উদ্যোগ নেন। তাঁকেও গ্রেফতার করে বিশেষ পিএমএলএ আদালতে হাজির করা হলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ইডির দাবি, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও নিলামের মাধ্যমে প্রতারিত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরাতে সংস্থা বদ্ধপরিকর। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande