
গুয়াহাটি, ২০ জুন (হি.স.) : পরিবেশগত স্থায়িত্ব বৃদ্ধি, যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা উন্নত করা এবং জনঅংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সম্প্রতি মিজোরাম সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগ এবং ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন রেভোলিউশন মিজোরাম’-এর সহযোগিতায় সাইরাং রেলওয়ে স্টেশনে বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করেছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে। এই কার্যক্রম সকল অংশীদারদের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। এর উদ্দেশ্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন, সবুজ এবং যাত্রীবান্ধব রেলওয়ে স্টেশন গড়ে তোলা।
আজ শনিবার উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা এক প্রেস বার্তায় এ খবর দিয়ে জানান, এই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে স্টেশন চত্বরের ভেতরে ও আশপাশে বৃক্ষরোপণ, ফুলের বাগান তৈরি এবং ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মতো কার্যক্রম চালানো হয়। এর ফলে সৌন্দর্য ও পরিবেশগত দিক থেকে এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। মিজোরাম সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগ বৃক্ষরোপণের জন্য ৫০টি 'এপ্রিল' গাছের চারা এবং ৫০টি 'চাউনপুই' গাছের চারা প্রদান করে সহায়তা প্রদান করেছে।
এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে, ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন রেভোলিউশন মিজোরাম’-এর চেয়ারপার্সন শ্রীমতি লালমালসাওমি সাইরাং রেলওয়ে স্টেশনকে ভারতের অন্যতম পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর রেলওয়ে স্টেশনে রূপান্তরের ক্ষেত্রে সংগঠনের লক্ষ্য ও পরিকল্পনার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে এবং মিজোরাম সরকার কর্তৃক সৌন্দর্য বর্ধনের ক্ষেত্রে প্রদত্ত সহায়তা ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন। এই পদক্ষেপগুলির ফলে স্টেশনের পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং যাত্রী ও দর্শনার্থীদের জন্য একটি মনোরম অভিজ্ঞতা গড়ে তুলবে, বলেন লালমালসাওমি।
অনুষ্ঠানে মিজোরাম সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের সংরক্ষক (পরিকল্পনা) অগ্নিমিত্র, 'জো হাইওয়েজ অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড'-এর চেয়ারম্যান পিইউ জেকেডাংজুয়ালা এবং উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের লামডিং ডিভিশনের বরিষ্ঠ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের প্রসারে সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এই অভিযানে সেল্ফ-হেল্প গ্রুপ, সিহমুই, বাণিজ্যিক যানবাহন ইউনিয়ন-সাইরাং, স্থানীয় বাসিন্দা এবং রেলওয়ে আধিকারিকগণ অংশগ্রহণ করেছেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস