কোশী নদীর জলপ্রবাহ ৫৮ হাজার কিউসেক ছাড়াল, বীরপুর ব্যারাজের ৭টি গেট খুলল প্রশাসন
সুপৌল, ২০ জুন (হি.স.): বিহার-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় বর্ষার শুরুতেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কোশী নদীর জলপ্রবাহ। চলতি বন্যা মরশুমে প্রথমবারের মতো নদীর প্রবাহ ৫০ হাজার কিউসেকের গণ্ডি পেরিয়ে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সুপৌলের বীরপুর ব্যারাজের ৫৬টি গেটের
কোশী নদীর জলপ্রবাহ ৫৮ হাজার কিউসেক ছাড়াল, বীরপুর ব্যারাজের ৭টি গেট খুলল প্রশাসন


সুপৌল, ২০ জুন (হি.স.): বিহার-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় বর্ষার শুরুতেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কোশী নদীর জলপ্রবাহ। চলতি বন্যা মরশুমে প্রথমবারের মতো নদীর প্রবাহ ৫০ হাজার কিউসেকের গণ্ডি পেরিয়ে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সুপৌলের বীরপুর ব্যারাজের ৫৬টি গেটের মধ্যে ৭টি খুলে অতিরিক্ত জল ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টায় বীরপুর ব্যারাজে কোশী নদীর জলপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫৮,৭৬৫ কিউসেক। জলসম্পদ দফতরের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, নেপালের পার্বত্য ও জলাধার এলাকায় টানা বৃষ্টির জেরে নদীতে জলের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। নেপালের বরাহক্ষেত্রেও জলপ্রবাহ বেড়ে প্রায় ৪৩ হাজার কিউসেক হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনে কোশীর জলস্তর আরও বাড়তে পারে। সেই কারণে পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে প্রশাসন ও জলসম্পদ দফতর।

নদীর বাড়তি চাপ সামলাতে বীরপুর ব্যারাজের সাতটি গেট খুলে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্যা মরশুমের আনুষ্ঠানিক সূচনার আগেই কোশীর জলপ্রবাহের এই ঊর্ধ্বগতি প্রশাসনের পাশাপাশি নদী-তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও উদ্বেগে ফেলেছে।

কোশী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে জলস্তরের ওপর নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি চলছে। গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারি নির্দেশিকা ও তথ্যের ওপর ভরসা করার আবেদনও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি চলতি বন্যা মরশুমের প্রাথমিক সতর্কবার্তা হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande