জামাইষষ্ঠীতে অভিনব উদ্যোগ গোলাপ সুন্দরীর,শাশুড়ির নামে একটি গাছ
হুগলি , ২০ জুন (হি.স.): জামাইষষ্ঠী মানেই বাঙালির পারিবারিক উৎসব, আদর-আপ্যায়ন আর নানা আয়োজন। তবে এই উৎসবের দিনেই পরিবেশ সচেতনতার এক অভিনব বার্তা দিলেন খানাকুলের মাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তথা সমাজসচেতন কর্মী দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়। আরামবাগ ম
নিজ হাতে গাছ  লাগাচ্ছেন গোলাপ সুন্দরী


হুগলি , ২০ জুন (হি.স.): জামাইষষ্ঠী মানেই বাঙালির পারিবারিক উৎসব, আদর-আপ্যায়ন আর নানা আয়োজন। তবে এই উৎসবের দিনেই পরিবেশ সচেতনতার এক অভিনব বার্তা দিলেন খানাকুলের মাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তথা সমাজসচেতন কর্মী দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়। আরামবাগ মহকুমায় ‘গোলাপ সুন্দরী’ নামে পরিচিত দেবাশীষবাবু এদিন বনসৃজনের উদ্দেশ্যে এক ব্যতিক্রমী কর্মসূচির আয়োজন করেন।

দীর্ঘদিন ধরেই বহুরূপীর সাজে বিভিন্ন সামাজিক কুসংস্কার, পরিবেশ দূষণ, নেশামুক্তি ও জনসচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে আসছেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় জামাইষষ্ঠীর দিন শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া জামাইদের হাতে একটি করে চারা গাছ তুলে দেন। শুধু গাছ উপহার দেওয়াই নয়, সেই গাছটি যেন প্রত্যেক জামাই তাঁর শাশুড়ির নামে রোপণ করেন, সেই আবেদনও জানান তিনি।

এই বিশেষ কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে “শাশুড়ির নামে একটি গাছ”। দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “জামাইষষ্ঠীতে উপহার ও ভোজের প্রচলন রয়েছে। সেই উৎসবের সঙ্গে যদি পরিবেশ রক্ষার বার্তাও জুড়ে দেওয়া যায়, তাহলে সমাজের উপকার হবে। একটি গাছ যেমন পরিবেশকে রক্ষা করে, তেমনি শাশুড়ি-জামাইয়ের সম্পর্কের স্মারক হিসেবেও এই গাছ ভবিষ্যতে দাঁড়িয়ে থাকবে।”

এই অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে এলাকায় যথেষ্ট সাড়া পড়েছে। বহু জামাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে গাছ গ্রহণ করেন এবং তা শাশুড়ির নামে রোপণের প্রতিশ্রুতি দেন। পরিবেশ রক্ষা ও পারিবারিক বন্ধনের বার্তা একসঙ্গে তুলে ধরায় স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।

জামাইষষ্ঠীর মতো একটি জনপ্রিয় সামাজিক উৎসবকে পরিবেশ সচেতনতার সঙ্গে যুক্ত করে দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় আবারও প্রমাণ করলেন, সামাজিক বার্তা পৌঁছে দিতে অভিনব ভাবনার কোনও বিকল্প নেই। তাঁর “শাশুড়ির নামে একটি গাছ” প্রকল্প পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক চিন্তার প্রসার ঘটাবে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande