দুর্ঘটনায় মৃত্যু পঞ্চায়েত সদস্যের
হুগলি , ২০জুন (হি.স.): এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রয়াত হলেন কামারপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা পশ্চিম অমরপুর-রঘুনাথপুর এলাকার জনপ্রতিনিধি বলরাম শেঠ। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে কামারপুকুর ও সংলগ্ন এলাকায়। শনিবার স্থানীয় সূত
দুর্ঘটনায় মৃত বলরাম শেঠ


হুগলি , ২০জুন (হি.স.): এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রয়াত হলেন কামারপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা পশ্চিম অমরপুর-রঘুনাথপুর এলাকার জনপ্রতিনিধি বলরাম শেঠ। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে কামারপুকুর ও সংলগ্ন এলাকায়।

শনিবার স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন বলরাম শেঠ। সেই সময় জয়রামবাটির দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের তীব্র হেডলাইটের আলো কামারপুকুর থেকে জয়রামবাটি অভিমুখে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল আরোহীর চোখে পড়ে। হঠাৎ তীব্র আলোয় দৃষ্টিবিভ্রাট হওয়ায় মোটরসাইকেল আরোহী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা বলরাম শেঠকে সজোরে ধাক্কা মারেন তিনি।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

বলরাম শেঠ শুধু একজন জনপ্রতিনিধিই ছিলেন না, তিনি এলাকার মানুষের কাছে ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ। সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তাঁর আন্তরিকতা এবং সামাজিক কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁকে সকলের কাছে আপনজন করে তুলেছিল।

তাঁর মৃত্যুর খবরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, বন্ধু এবং শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই তাঁকে একজন সৎ, কর্মঠ এবং জনমুখী জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্মরণ করেছেন।

প্রয়াত বলরাম শেঠের আত্মার চিরশান্তি কামনা করা হয়েছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। তাঁর এই অকাল প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে মত এলাকার মানুষের।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande