তারাতলা দুর্ঘটনায় কাটোয়ার যুবকের মৃত্যু, গ্রামে পৌঁছাল নিথর দেহ
পূর্ব বর্ধমান, ২৫ জুন (হি.স.) কলকাতার তারাতলা গুদাম দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো আট জনের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার গাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা রোহিত চৌধুরী (২০)-ও রয়েছেন। বৃহস্পতিবার যখন রোহিতের মরদেহ তাঁর পৈতৃক ভিটে কাটোয়ার গাজীপুর গ্রামে পৌঁছায
তারাতলা দুর্ঘটনায় কাটোয়ার যুবকের মৃত্যু, গ্রামে পৌঁছাল নিথর দেহ


পূর্ব বর্ধমান, ২৫ জুন (হি.স.) কলকাতার তারাতলা গুদাম দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো আট জনের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার গাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা রোহিত চৌধুরী (২০)-ও রয়েছেন। বৃহস্পতিবার যখন রোহিতের মরদেহ তাঁর পৈতৃক ভিটে কাটোয়ার গাজীপুর গ্রামে পৌঁছায়, তখন পরিবার ও গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিথর দেহটি ঘরে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিজনরা, গোটা গ্রাম জুড়েই তৈরি হয় এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর গ্রামের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা রোহিত চৌধুরী গত প্রায় দেড় মাস ধরে কলকাতার তারাতলা এলাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এক ঠিকাদারের মাধ্যমে তিনি সেখানে কাজ পেয়েছিলেন এবং সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতেই এই কাজে যোগ দিয়েছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, রোহিত ২০২৪ সালে কাটোয়ার অগ্রণী হাইস্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পড়াশোনা শেষ করার পর ঘরের আর্থিক অনটনের কথা চিন্তা করে তাঁকে উপার্জনের পথ বেছে নিতে হয়েছিল। রোহিতের বাবা বেনারস চৌধুরী দীর্ঘ সময় ধরে পক্ষাঘাতে (প্যারালাইসিস) আক্রান্ত। সেই কারণে সংসারের সিংহভাগ দায়িত্ব এসে পড়েছিল রোহিতের কাঁধেই। পরিবারকে সামাল দিতে এবং ঘর চালাতে এই অল্প বয়সেই তিনি কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হন। রোহিতের এই অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন গ্রামবাসী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ। তাঁরা শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande