বিধাননগর ওয়ার্ড কার্যালয়ে আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধার, তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক
কলকাতা, ২৭ জুন (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় এক নতুন বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতাদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বিধাননগর পৌরনিগমের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয় পরিদর্শনে যান। পর
প্রাক্তন কাউন্সিলর জয়দেব নস্কর ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়


কলকাতা, ২৭ জুন (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় এক নতুন বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতাদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বিধাননগর পৌরনিগমের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয় পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিলাসবহুল ঘর এবং সেখান থেকে উদ্ধার হওয়া কন্ডোমের প্যাকেট নিয়ে বিজেপি প্রশ্ন তুলেছে।

জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকান্তনগর এলাকায় বিজেপির একটি জনসভা আয়োজিত হয়েছিল। আগামী পৌর নির্বাচনের দিকে নজর রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচির পর, মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওই ওয়ার্ড কার্যালয়ে পৌঁছন। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান, সরকারি দফতরের ভেতরে একটি বড় ঘর তৈরি করা রয়েছে, যেখানে পাঁচটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র লাগানো আছে। এর সঙ্গেই লাগোয়া আরও একটি ঘরের সন্ধান মেলে, যেখানে বিছানা, আলমারি এবং বেশ কয়েকটি বালিশ রাখা ছিল।

বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, এই ঘরের ভেতরেই মহিলাদের ব্যবহারের ড্রেসিং টেবিল রাখা হয়েছিল। অভিযোগ, সেই ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার থেকেই কন্ডোমের প্যাকেট পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর বিজেপি নেতারা কার্যালয়ের ব্যবহার এবং সেখানকার কাজকর্ম নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। তথ্য অনুযায়ী, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর জয়দেব নস্কর আগেই পদত্যাগ করেছেন এবং বর্তমানে সেখানে প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে কাজকর্ম চলছে। বিজেপি নেতারা পুরো ঘটনার জন্য প্রাক্তন কাউন্সিলরের ভূমিকার দিকেই আঙুল তুলেছেন।

ঘটনাস্থলে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, এই ধরনের জিনিস দেখাও পাপ। তিনি মন্তব্য করেন, ওয়ার্ড কার্যালয়টিকে গঙ্গাজল দিয়ে শুদ্ধ করার পরেই সেখানে পুনরায় সরকারি কাজকর্ম শুরু করা উচিত। তবে এই পুরো বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা প্রাক্তন কাউন্সিলর জয়দেব নস্করের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande