ড্রেনের জল ব্যক্তিগত কৃষিজমিতে, ক্ষোভে ফুঁসছেন আদি বিজেপি কর্মী
আগরতলা, ২৮ জুন (হি.স.) : বামুটিয়া ব্লকের উত্তর লক্ষ্মীলুঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের তেবাড়িয়া সবুজ সংঘ এলাকায় নবনির্মিত একটি ড্রেনকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ড্রেনের জল নিষ্কাশনের আউটলেট পরিকল্পনাহীনভাবে জনৈক ব্যক্তির কৃষি
বিজেপি কর্মীর ক্ষোভ


আগরতলা, ২৮ জুন (হি.স.) : বামুটিয়া ব্লকের উত্তর লক্ষ্মীলুঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের তেবাড়িয়া সবুজ সংঘ এলাকায় নবনির্মিত একটি ড্রেনকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ড্রেনের জল নিষ্কাশনের আউটলেট পরিকল্পনাহীনভাবে জনৈক ব্যক্তির কৃষিজমির ওপর ফেলে দেওয়ায় বর্ষার জল ও আবর্জনা সরাসরি ওই জমিতে গিয়ে জমা হচ্ছে। এতে চাষের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার আদি বিজেপি কর্মী ও কৃষক হেমঙ্গল দাস।

হেমঙ্গল দাসের অভিযোগ, ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার আগেই তিনি উত্তর লক্ষ্মীলুঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর কাছে বিষয়টি লিখিত ও মৌখিকভাবে তুলে ধরেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত আউটলেট তাঁর বৈধ কৃষিজমির ওপর পড়লে ভবিষ্যতে বর্ষার সময় জল জমে চাষাবাদের মারাত্মক ক্ষতি হবে। কিন্তু তাঁর অভিযোগ ও আপত্তিকে গুরুত্ব না দিয়েই ড্রেন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

তিনি জানান, বর্তমানে ড্রেনের সমস্ত জল এবং তার সঙ্গে বয়ে আসা আবর্জনা সরাসরি তাঁর কৃষিজমিতে গিয়ে পড়ছে। এতে জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে এবং ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই পরিস্থিতিতে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।

হেমঙ্গল দাসের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত একটি জনস্বার্থমূলক প্রকল্পের কারণে কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি বা জীবিকার ক্ষতি হওয়া উচিত নয়। তাই অবিলম্বে ড্রেনের জল নিষ্কাশনের বিকল্প ব্যবস্থা করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে তাঁর জমিতে আর জল না জমে, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দফতর যদি দ্রুত এই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী না হয়, তাহলে বাধ্য হয়ে তিনি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে উত্তর লক্ষ্মীলুঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত বা সংশ্লিষ্ট দফতরের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande