সমন্বিত গ্রামীণ পরিষেবা কেন্দ্রে রূপান্তর হবে অসমের প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমবায় সমিতিগুলি : মুখ্যমন্ত্রী
গুয়াহাটি, ৩০ জুন (হি.স.) : সমৃদ্ধ কৃষকরাই সমৃদ্ধ অসম গঠনের শক্তিশালী ভিত্তি। কৃষকদের এক জায়গায় সহজ ও সুলভভাবে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমবায় সমিতি (পিএসিএস)-গুলিকে সমন্বিত গ্রামীণ পরিষেবা কেন
মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার শেয়াকৃত ছবি


গুয়াহাটি, ৩০ জুন (হি.স.) : সমৃদ্ধ কৃষকরাই সমৃদ্ধ অসম গঠনের শক্তিশালী ভিত্তি। কৃষকদের এক জায়গায় সহজ ও সুলভভাবে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমবায় সমিতি (পিএসিএস)-গুলিকে সমন্বিত গ্রামীণ পরিষেবা কেন্দ্র (ইন্টিগ্রেটেড রুরাল সার্ভিস সেন্টার)-এ রূপান্তর করছে, বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি ছবি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী ড. শৰ্মা বলেন, গ্রামীণ এলাকায় পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তুলতে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে পিএসিএস আর শুধু সমবায় প্রতিষ্ঠান হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, গ্রামীণ নাগরিকদের জন্য বহুমুখী পরিষেবা কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করবে।

মুখ্যমন্ত্ৰী জানান, সমন্বিত এই গ্রামীণ পরিষেবা কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে কৃষক ও গ্রামীণ বাসিন্দারা একই ছাদের নীচে প্রযুক্তিগত সহায়তা, ব্যাংকিং ও আর্থিক পরিষেবা, সরকারি প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পরিষেবা পাবেন। এর ফলে সরকারি পরিষেবা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন দফতরে ঘুরতে হবে না এবং পরিষেবা আরও দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।

তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের লক্ষ্য হলো, গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা এবং কৃষকদের আত্মনির্ভর করে তোলা। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল পরিষেবার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে নতুন গতি আসবে এবং কৃষকেরা সময়মতো প্রয়োজনীয় সুবিধা পাবেন। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও উৎসাহিত হবে।

হিমন্তবিশ্ব শর্মা আশা প্রকাশ করে বলেন, পিএসিএসগুলিকে সমন্বিত গ্রামীণ পরিষেবা কেন্দ্রে উন্নীত করার এই উদ্যোগ গ্রামাঞ্চলে সরকারি পরিষেবার কার্যকর পৌঁছ নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে কৃষকদের আরও সক্ষম, আত্মনির্ভর ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande