বারুইপুরে নির্যাতিতার বাবাকে সরকারি চাকরি, গণপিটুনি কাণ্ডে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত
বারুইপুর, ১৫ জুলাই (হি.স.): বারুইপুরে গণপিটুনিতে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম সাকিম লস্কর ওরফে ‘কেলে’। এই নিয়ে গণপিটুনি কাণ্ডে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট জনে। পুলিশ সূত্রে
বারুইপুরে নির্যাতিতার বাবাকে সরকারি চাকরি, গণপিটুনি কাণ্ডে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত


বারুইপুর, ১৫ জুলাই (হি.স.): বারুইপুরে গণপিটুনিতে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম সাকিম লস্কর ওরফে ‘কেলে’। এই নিয়ে গণপিটুনি কাণ্ডে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট জনে। পুলিশ সূত্রে খবর, বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকা থেকেই সাকিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবারই তাকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে হাজির করা হবে। অন্যদিকে, প্রশাসনিক সূত্রের খবর, বারুইপুরের নির্যাতিতা নাবালিকার বাবাকে রাজ্য কারা দফতরে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ইন্দ্রজিৎ জড়িত রয়েছেন— এই সন্দেহের বশে তাঁকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে একদল উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল সম্পূর্ণ নির্দোষ ছিলেন। সম্প্রতি বারুইপুরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ইন্দ্রজিতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার পাশাপাশি নিহতের দাদাকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরিও প্রদান করেন।

সেদিন মুখ্যমন্ত্রী দুঃখপ্রকাশ করে বলেছিলেন, নাম-পরিচয় দেখে এক ৩৫ বছরের অবিবাহিত যুবককে হাত-পা বেঁধে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। যাঁরা ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, এই ঘটনায় তাঁদের উস্কানি রয়েছে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, গণপিটুনিতে জড়িত কাউকেই রেয়াত করা হবে না। ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে বকখালি ও দীঘা থেকেও অভিযুক্তদের ধরে এনেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী বেআইনি জমায়েত, দাঙ্গা বাধানো, সরকারি কর্মীর কাজে বাধা দেওয়া, স্বেচ্ছায় আঘাত করা এবং গণপিটুনির মাধ্যমে হত্যার মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ। আগামী দিনে এই মামলায় আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande