জোড়াবাটে বন্যা প্রতিরোধে ১৫০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তের
গুয়াহাটি, ১৫ জুলাই (হি.স.) : গুয়াহাটির জোড়াবাটে আকস্মিক বন্যা প্রতিরোধে রিং রোড প্রকল্পের অধীনে ১৫০ কোটি টাকার বন্যা প্রশমন প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। তিনি জানান, এই উদ্যোগের লক্ষ্য জোড়াবাটে বারবার সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এ
আকস্মিক বন্যার কবলে গুয়াহাটির জোড়াবাট (দুদিন আগের ছবি)


গুয়াহাটি, ১৫ জুলাই (হি.স.) : গুয়াহাটির জোড়াবাটে আকস্মিক বন্যা প্রতিরোধে রিং রোড প্রকল্পের অধীনে ১৫০ কোটি টাকার বন্যা প্রশমন প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। তিনি জানান, এই উদ্যোগের লক্ষ্য জোড়াবাটে বারবার সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এবং আকস্মিক বন্যা-সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা।

আজ বুধবার অসম বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের অষ্টমদিনে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা বলেন, অতি সম্প্রতি জোড়াবাটে যে আকস্মিক বন্যা হয়েছে, তাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামোগত সমাধানের প্রয়োজনয়ীতা স্পষ্ট করে তুলেছে। জোড়াবাট অসম ও মেঘালয়কে সংযুক্তকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ।

তিনি বলেন, ‘গত পরশু আমরা জোড়াবাট এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার সাক্ষী হয়েছি। গুয়াহাটি রিং রোড প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর)-এর আওতায় জোড়াবাটের আকস্মিক বন্যা সমস্যার সমাধানের জন্য বিশেষভাবে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’ মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরামর্শদাতারা বন্যা প্রতিরোধমূলক প্রকৌশল নকশা প্রস্তুত করছেন। পাশাপাশি, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে আইআইটি গুয়াহাটির প্রযুক্তিগত অনুমোদন নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্ৰী বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, রিং রোড প্রকল্পের কাজ শুরু হলে জোড়াবাটে এ ধরনের আকস্মিক বন্যার পরিস্থিতি আর সৃষ্টি হবে না।’ তিনি জোড়াবাটের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার কথাও বলেছেন তাঁর বক্তৃতায়। বলেন, অসম ও মেঘালয়কে সংযুক্তকারী এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে যানজট এখন নিত্যদিনের ঘটনা।

এই সড়কে যানবাহনের চাপ কমাতে সরকার দিগারু-নারেঙ্গি সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার প্রস্তাব করেছে বলেও তিনি জানান। এই সড়কটি জাগিরোড এবং পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে গুয়াহাটিগামী যাত্রীদের জন্য বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সহযোগিতা কামনা করে মুখ্যমন্ত্রী ডিমরিয়া ও দিশপুরের বিধায়কদের প্রস্তাবিত সড়ক সম্প্রসারণে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande