মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে বারবার বাধা, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি, একদিনের জন্য বিধানসভা থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক অখিল
গুয়াহাটি, ১৫ জুলাই (হি.স.) : অসম বিধানসভায় ২০২৬-২৭ অৰ্থবৰ্ষের বাজেটের ওপর মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার ভাষণে বারবার বাধা দিয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে নির্দলীয় (রাইজর দল) বিধায়ক তথা বামপন্থী নেতা অখিল গগৈকে আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দিনের
বিধানসভা থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি বহিষ্কৃত বিধায়ক অখিল গগৈ


গুয়াহাটি, ১৫ জুলাই (হি.স.) : অসম বিধানসভায় ২০২৬-২৭ অৰ্থবৰ্ষের বাজেটের ওপর মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার ভাষণে বারবার বাধা দিয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে নির্দলীয় (রাইজর দল) বিধায়ক তথা বামপন্থী নেতা অখিল গগৈকে আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দিনের বাকি সময়ের জন্য বিধানসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বাজেট অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী যখন বিধানসভায় বক্তব্য পেশ করছিলেন, তখন শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগৈ অসমের বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই)-এ রাজ্যের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কেবল তা-ই নয়, বারংবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে থকেলে বিধানসভার অধ্যক্ষ রঞ্জিতকুমার দাস তাঁর বিরুদ্ধে দিনের বাকি সময়ের জন্য বহিষ্কারের নির্দেশ দেন।

বিধানসভা থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর অখিল গগৈ অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কালো স্কার্ফ পরে বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখান। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অখিল গগৈ অভিযোগ করেন, অসমের দারিদ্র্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার জন্যই তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তিনি নিতি আয়োগের একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করেছিলেন, যেখানে তাঁর মতে অসমকে উচ্চ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হারযুক্ত রাজ্যগুলির মধ্যে রাখা হয়েছে।

গগৈ আরও বলেন, শুধুমাত্র ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়। এই সমস্যা মোকাবিলায় আরও বেশি বাজেট বরাদ্দ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে, বলেন তিনি।

বিহারে সাম্প্রতিক পুলিশ এনকাউন্টার প্রসঙ্গে রাইজর দলের বিধায়ক ‘তথাকথিত ভুয়ো এনকাউন্টার’-এর সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা বারবার ঘটছে।

তিনি আরও দাবি করেন, অসমে পুলিশ এনকাউন্টারে ৮১ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। কথিত বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনাগুলিতে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপেরও দাবি জানান।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande