পুরাতন মালদায় তীব্র জলসংকট, মহানন্দার জলস্তর বাড়ায় ব্যাহত সরবরাহ
মালদা, ১৫ জুলাই (হি.স.): লাগাতার ভারী বৃষ্টি এবং মহানন্দা নদীর জলস্তর বৃদ্ধির কারণে পুরাতন মালদা পুরসভা এলাকায় তীব্র পানীয় জলসংকট দেখা দিয়েছে। বাসিন্দারা পর্যাপ্ত পরিমানে পরিশ্রুত পানীয় জল না পাওয়ায় পুর প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। পুরসভা
পুরাতন মালদায় তীব্র জলসংকট, মহানন্দার জলস্তর বাড়ায় ব্যাহত সরবরাহ


মালদা, ১৫ জুলাই (হি.স.): লাগাতার ভারী বৃষ্টি এবং মহানন্দা নদীর জলস্তর বৃদ্ধির কারণে পুরাতন মালদা পুরসভা এলাকায় তীব্র পানীয় জলসংকট দেখা দিয়েছে। বাসিন্দারা পর্যাপ্ত পরিমানে পরিশ্রুত পানীয় জল না পাওয়ায় পুর প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে।

পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, লোলবাগ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জল সংগ্রহ কেন্দ্রে প্রচুর পরিমাণে কচুরিপানা ও কাদা জমে যাওয়ার কারণে জল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী এক সপ্তাহ পুরসভা এলাকায় দিনে তিন বারের পরিবর্তে মাত্র একবারই জল সরবরাহ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহানন্দা নদীর জল পরিশ্রুত করে পুরাতন মালদা পুরসভার প্রায় ২০টি ওয়ার্ডের লক্ষাধিক মানুষের কাছে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি দার্জিলিং ও উত্তর দিনাজপুর জেলায় ভারী বৃষ্টির জেরে মহানন্দা নদীর জলস্তর অনেকটাই বেড়ে গেছে। নদীর তীব্র স্রোতের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ কচুরিপানা ভেসে এসে পাম্প মেশিনের ইনটেকে আটকে যায়। এর ফলে নদী থেকে জল তোলার প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ কিউসেক জল তোলা হতো, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩০০ কিউসেকে। এই সমস্যার সমাধানে পুরসভার পক্ষ থেকে নদীতে ডুবুরি নামিয়ে কচুরিপানা পরিষ্কার করার কাজ শুরু করা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান যে, এই জলসংকট গত এক মাস ধরে চলছে। বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত জল সরবরাহ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কর দেওয়ার পরেও কেন পর্যাপ্ত জল মিলবে না, তা নিয়ে সরব হয়েছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতি নিয়ে পুরসভার কর্মপদ্ধতির ওপর প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারাও। অন্যদিকে, পুর কর্তৃপক্ষের দাবি, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সাফাইয়ের কাজ চলছে এবং নদীর জলস্তর কিছুটা কমলেই পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande