আর জি কর কাণ্ডে ফরেনসিক রিপোর্টও বদলে দেওয়ার অভিযোগ, আদালতের দ্বারস্থ পরিবার
কলকাতা, ২ জুলাই (হি.স.): আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলার তদন্তে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ ঘিরে আবারও তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিকের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলে এবার আদালতে
আর জি কর কাণ্ডে ফরেনসিক রিপোর্টও বদলে দেওয়ার অভিযোগ, আদালতের দ্বারস্থ পরিবার


কলকাতা, ২ জুলাই (হি.স.): আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলার তদন্তে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ ঘিরে আবারও তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিকের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলে এবার আদালতের দ্বারস্থ হলেন নির্যাতিতার পরিবার।

সূত্র মারফত জানা গেছে, রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের এক প্রাক্তন আধিকারিক নির্যাতিতার বাবাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল এবং এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক সরাসরি জড়িত ছিলেন। নির্যাতিতার পরিবার এখন এই চিঠিটিকেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ হিসেবে আদালতের সামনে পেশ করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিতে চাইছে।

উল্লেখ্য, নির্যাতিতার পরিবার এর আগেও সিবিআই -এর তদন্তের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। মামলার শুনানির সময় আদালত সিবিআই-কে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। তবে, সেই বিশেষ তদন্তকারী দলের অগ্রগতির ওপরও কলকাতা হাইকোর্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

গত ২৫ জুন মামলার শুনানির সময় হাইকোর্ট মন্তব্য করেছিল যে, ২১ মে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের বিষয়ে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাশিতভাবে পালন করা হয়নি এবং তদন্ত নির্দিষ্ট দিশায় এগোয়নি।

এই পরিস্থিতিতে ফরেনসিক বিভাগের প্রাক্তন আধিকারিকের চিঠি সামনে আসার পর আর জি কর মামলায় এক নতুন মোড় এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যদি চিঠির দাবি সত্যি বলে প্রমাণিত হয়, তবে গোটা তদন্তের মোড় ঘুরে যেতে পারে। যদিও চিঠিতে ওঠা এই অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও পর্যন্ত স্বাধীনভাবে কোনো সরকারি সিলমোহর পড়েনি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande