গান্ধীগ্রামে ভারতীয় মজদুর সংঘের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের ফল-মিষ্টি বিতরণ
আগরতলা, ২৩ জুলাই (হি.স.) : ভারতীয় মজদুর সংঘের (বিএমএস) প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বামুটিয়া বিধানসভার অন্তর্গত গান্ধীগ্রাম শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়। পতাকা উত্তোলন, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, সামাজিক সেবামূল
হাসপাতালে রোগীদের ফল বিতরণ


আগরতলা, ২৩ জুলাই (হি.স.) : ভারতীয় মজদুর সংঘের (বিএমএস) প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বামুটিয়া বিধানসভার অন্তর্গত গান্ধীগ্রাম শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়। পতাকা উত্তোলন, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, সামাজিক সেবামূলক কর্মসূচি এবং বাৎসরিক সম্মেলনের মাধ্যমে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করেন সংগঠনের কর্মী-সমর্থকরা।

দিনের শুরুতে গান্ধীগ্রাম শাখা কার্যালয়ে সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন শাখার সভাপতি শঙ্কর ঘোষ। এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বামুটিয়া বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব গান্ধীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান জানকি বিশ্বাস, সংগঠনের সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা।

প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে গান্ধীগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রোগী, চিকিৎসক এবং হাসপাতালের কর্মীদের হাতে ভারতীয় মজদুর সংঘের পক্ষ থেকে ফল ও মিষ্টি তুলে দেওয়া হয়। সংগঠনের এই মানবিক উদ্যোগকে উপস্থিত সকলেই প্রশংসা করেন। রোগীদের দ্রুত আরোগ্য কামনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস সেবার জন্যও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

দুপুরে বৈদ্যনাথ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ভারতীয় মজদুর সংঘের গান্ধীগ্রাম শাখার বাৎসরিক সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস। এছাড়াও বিশিষ্ট সমাজসেবী শিবেন্দ্র দাস, জানকি বিশ্বাস, সংগঠনের সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী এবং সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে বক্তারা ভারতীয় মজদুর সংঘের দীর্ঘ ৭২ বছরের সংগ্রামী ইতিহাস, শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় সংগঠনের ভূমিকা এবং দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি বর্তমান সময়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা এবং কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভারতীয় মজদুর সংঘ শুধুমাত্র শ্রমিকদের দাবি-দাওয়ার সংগঠন নয়, সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য গড়ে তুলেছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফল ও মিষ্টি বিতরণের মতো উদ্যোগ সেই সামাজিক দায়বদ্ধতারই উজ্জ্বল উদাহরণ।

অনুষ্ঠানের শেষে সংগঠনের নেতৃত্ব জানায়, প্রতিষ্ঠার ৭২ বছরের গৌরবময় পথচলাকে সামনে রেখে আগামী দিনেও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে ভারতীয় মজদুর সংঘ নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande