পশ্চিমবঙ্গ পাচ্ছে নতুন বিধানসভা ভবন, নিউ টাউনে ৪০ একর জমিতে হবে নির্মাণ
কলকাতা, ২৫ জুলাই (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গ শীঘ্রই একটি নতুন বিধানসভা ভবন পেতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার বিধানসভার অধ্যক্ষ (স্পিকার) রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে নতুন বিধানসভা ভবন নির্মাণের প্রস্তাব রাখেন। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে স্পিকার ঘোষণা ক
বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী


কলকাতা, ২৫ জুলাই (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গ শীঘ্রই একটি নতুন বিধানসভা ভবন পেতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার বিধানসভার অধ্যক্ষ (স্পিকার) রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে নতুন বিধানসভা ভবন নির্মাণের প্রস্তাব রাখেন। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে স্পিকার ঘোষণা করেন যে, নিউ টাউনে ৪০ একর জমিতে একটি অত্যাধুনিক বিধানসভা ভবন নির্মাণ করা হবে। রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে শনিবার এই ঘোষণাটি করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে সীমানা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন) এবং মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর হওয়ার পর বিধানসভার বর্তমান ২৯৪ জন সদস্যের আসন ক্ষমতা বেড়ে ৪০০-রও বেশি হতে পারে। সেক্ষেত্রে বর্তমান বিধানসভা ভবনটি আর পর্যাপ্ত থাকবে না। তিনি অধ্যক্ষকে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রস্তাবিত জমি পরিদর্শন করে নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা তৈরির অনুরোধ জানান।

তিনি আরও বলেন, নতুন ভবন নির্মাণে আর্থিক সম্পদের কোনো অভাব হতে দেওয়া হবে না এবং সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই প্রকল্পটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান বিধানসভা ভবনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব অপরিবর্তিত থাকবে। স্বাধীনতার আগে নির্মিত এই ভবনটি পশ্চিমবঙ্গের সংসদীয় ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, নতুন ভবন তৈরি হয়ে যাওয়ার পরও বর্তমান ভবনটির ঐতিহ্যকে রক্ষা করে এর ব্যবহার সম্পর্কে সরকার পৃথকভাবে সিদ্ধান্ত নেবে।

কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেই সময় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বিধায়কদের এমনকি দর্শক আসন পর্যন্ত বসাতে হয়েছিল। তাতেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রেখে একটি বৃহত্তর ও আধুনিক বিধানসভা ভবনের প্রয়োজন রয়েছে।

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা চত্বরের আধুনিকীকরণের ওপরও জোর দেন। তিনি বিধায়ক আবাসন (এমএলএ হোস্টেল)-এর উন্নয়ন, বিধানসভায় আধুনিক বৈদ্যুতিন ভোটিং ব্যবস্থা চালু করা, উন্নত ক্যান্টিনের ব্যবস্থা এবং অধিবেশন চলাকালীন মন্ত্রীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande