
ধুবুলিয়া, ৬ জুলাই (হি. স.) : বাংলা ভাষার প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক, সাহিত্যিক ও ‘ভারতী’ পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে সোমবার শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ধুবুলিয়া কথাশিল্প আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্র। কেন্দ্রের মহলাকক্ষে এদিন অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তাঁর জীবন, সাহিত্যকীর্তি ও সমাজভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন গবেষক পীতম ভট্টাচার্য।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তা থেকে শুরু করে হাজির অতিথিরা একযোগেই জানিয়েছেন যে, ১৮৫৫ সালে জন্মগ্রহণকারী স্বর্ণকুমারী দেবী প্রায় পাঁচ দশকের সাহিত্য জীবনে ১৩টি উপন্যাস, ৮টি নাটক, ২টি কাব্যগ্রন্থ এবং গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেন। তিনি ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ কন্যা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দিদি। তাঁর সাহিত্যকর্মে সমকালীন সমাজ, স্বদেশচেতনা ও নারীর অবস্থান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। অনাথ ও বিধবাদের সহায়তায় ১৮৯৬ সালে তিনি ‘সখী সমিতি’ প্রতিষ্ঠা করেন, যার নামকরণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯২৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’-এ সম্মানিত করে।
উল্লেখ্য, ওই অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কথাশিল্প আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্রের ছাত্র-ছাত্রীরা স্বর্ণকুমারী দেবীর কবিতা আবৃত্তি করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। উপস্থিত সাহিত্যপ্রেমীরাও তাঁর সাহিত্য ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানান। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যে, গত ৩ জুলাই অর্থাৎ শুক্রবার প্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে এমনতর আয়োজন।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত