শ্রীভূমিতে ৪ লক্ষ শিশুকে কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানোর অভিযান শুরু
শ্রীভূমি, (অসম) ১০ আগস্ট (হি.স.) : শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের অন্ত্রের কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার থেকে শ্রীভূমি জেলাজুড়ে জাতীয় কৃমিনাশক দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে শ্রীগৌরী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলার এই বিশেষ অ
Sribhumi


শ্রীভূমি, (অসম) ১০ আগস্ট (হি.স.) : শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের অন্ত্রের কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার থেকে শ্রীভূমি জেলাজুড়ে জাতীয় কৃমিনাশক দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে শ্রীগৌরী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলার এই বিশেষ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য বিভাগের যুগ্ম সঞ্চালক ডা. মতীন্দ্র সূত্রধর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীগৌরী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিলন জ্যোতি দাস, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের জেলা গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ সুমন চৌধুরী, গোবিন্দ কলিতা, মুজাক্কির হুসেন চৌধুরী-সহ স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিক, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. মতীন্দ্র সূত্রধর বলেন, বছরে দু’বার জাতীয় কৃমিনাশক দিবস পালন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হল ১ থেকে ১৯ বছর বয়সি শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের কৃমি সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেওয়া। নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ সেবনের ফলে শিশুদের পুষ্টি, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, শিক্ষাগ্রহণের সক্ষমতা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়। কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্রিয় সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের অভিযানে শ্রীভূমি জেলার প্রায় ৪ লক্ষ শিশু ও কিশোর-কিশোরীকে অ্যালবেনডাজোল বড়ি খাওয়ানো হবে। বিদ্যালয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং অন্যান্য নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নির্ধারিত দিনে যে সমস্ত শিশু ও কিশোর-কিশোরী কৃমিনাশক বড়ি খেতে পারবে না, তাদের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট মপ-আপ দিবস পালন করা হবে।

জেলার সমস্ত স্বাস্থ্যখণ্ডেও একই সঙ্গে জাতীয় কৃমিনাশক দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। বিদ্যালয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের সহযোগিতায় অ্যালবেনডাজোল বড়ি খাওয়ানোর কার্যক্রম চলছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের পক্ষ থেকে জেলার সমস্ত অভিভাবক, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে কোনও যোগ্য শিশু বা কিশোর-কিশোরী এই কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে। কৃমিমুক্ত, সুস্থ ও সবল প্রজন্ম গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস




 

 rajesh pande