দুর্গাপুরের দমকলের হাতে এল অত্যাধুনিক বড় ল্যাডার
দুর্গাপুর, ২৭ আগস্ট (হি. স.): বহুতল আবাসন বা বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ড ও উদ্ধারকাজে গতি আনতে আরও শক্তিশালী হল দুর্গাপুরের দমকল বাহিনী। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে এই প্রথমবার দুর্গাপুর দমকল বিভাগের হাতে এল অত্যাধুনিক বড় ল্যাডার। এর ফলে শহরের উঁচু ভবন
দুর্গাপুরের দমকলের হাতে এল অত্যাধুনিক বড় ল্যাডার


দুর্গাপুর, ২৭ আগস্ট (হি. স.): বহুতল আবাসন বা বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ড ও উদ্ধারকাজে গতি আনতে আরও শক্তিশালী হল দুর্গাপুরের দমকল বাহিনী। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে এই প্রথমবার দুর্গাপুর দমকল বিভাগের হাতে এল অত্যাধুনিক বড় ল্যাডার। এর ফলে শহরের উঁচু ভবনগুলিতে আগুন লাগলে দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ এবং আটকে পড়া বাসিন্দাদের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার করার ক্ষেত্রে দমকলকর্মীদের সক্ষমতা এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল বলে বৃহস্পতিবার দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।

শিল্পনগরী দুর্গাপুরে গত কয়েক বছরে দ্রুত নগরায়ন হয়েছে। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে একাধিক বহুতল আবাসন ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। আর এই বহুতলগুলিতে গত কয়েক বছরে একাধিকবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে। সেই সমস্ত ক্ষেত্রে উঁচু তলায় পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আটকে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধার করতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়তে হয়েছে দমকল বাহিনীকে। দুর্গাপুর দমকলের নিজস্ব বড় ল্যাডার না থাকায়, এতদিন আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কখনও দুর্গাপুর বিমানবন্দর আবার কখনও দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা থেকে ল্যাডার এনে কাজ চালাতে হত। যার ফলে, দূরবর্তী স্থান থেকে ঘটনাস্থলে ল্যাডার পৌঁছাতে অনেকটা সময় নষ্ট হত এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়ত। নিজস্ব এই অত্যাধুনিক ল্যাডার আসায় এখন থেকে আর অন্য সংস্থার ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে না দমকলকে।

দুর্গাপুর দমকল কেন্দ্রে এই নতুন অত্যাধুনিক ল্যাডারটি পৌঁছতেই তা দেখতে যান দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভার বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দমকল কেন্দ্রের আধিকারিক ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এই নতুন পরিকাঠামোর প্রযুক্তিগত দিক ও উদ্ধারকাজের সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শহরের সুরক্ষায় এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।

দমকল আধিকারিকদের মতে, এই নতুন ল্যাডার যুক্ত হওয়ায় শিল্পাঞ্চলের বহুতল ভবনগুলির বাসিন্দারা আগের থেকে অনেক বেশি সুরক্ষিত বোধ করবেন এবং যেকোনও বড় দুর্ঘটনা রুখতে দমকল কর্মীরা অনেক দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande