
কলকাতা, ২৮ আগস্ট (হি. স. ) : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে
পূর্বতন বাম এবং তৃণমূল সরকার যা করেছে, তাঁর সরকার সেই পথে হাঁটবে না। শুক্রবার এ কথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তাঁর অভিযোগ, বাম সরকার ৩৪ বছর ধরে তাঁদের মদত দিয়েছে। তৃণমূল সরকার ১৫ বছর ধরে নিজের স্বার্থে ‘সমঝোতা’ করেছে। কিন্তু এ বার হিসাব শেষ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে।
শুভেন্দুবাবুর কথায়, তৃণমূল সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আক্রান্ত হয়েছেন। রাজ্যপাল তথা আচার্যকে অপমান করা হয়েছে।
র্যাগিং-কাণ্ডের সময়ে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। সে সময় তাঁর গাড়ির উপরে উঠেও লাফিয়েছিলেন কয়েক জন।
তাঁর কথায়, ‘‘জানলার কাচ নামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম। বলল, আমরা মাওবাদী। আপনাকে গো ব্যাক বলতে এসেছি।’’ সেই ঘটনায় দু’জনকে আটক করা হলেও তৎকালীন পুলিশমন্ত্রী (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)-র নির্দেশে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়, দাবি শুভেন্দুবাবুর।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, বামেদের পরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে মদত দিয়েছে তৃণমূল। পড়ুয়াদের সঙ্গে সমঝোতা করেছে নিজেদের স্বার্থে। তাঁর কথায়, ‘‘৩৪ বছরের কমিউনিস্টরা খোলাখুলি রাষ্ট্রবিরোধী কাজ, সনাতন বিরোধী কাজ, ভারতীয় বাঙালি পম্পরাকে ধ্বংস করতে মদত করেছে। পরে তৃণমূলও এদের সঙ্গে সমঝোতা করে চলত।’’
কেন সমঝোতা করত, তা-ও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তাঁর কথায়, ‘‘ডিভিডেন্ড একটাই দিত। নির্বাচন এলে এরা (পড়ুয়ারা) বলত, 'নো ভোট টু বিজেপি। নোট ভোট টু নরেন্দ্র মোদী'। তার সুফল ঘুরিয়ে পেতেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, যিনি দু’বার আমার কাছে হেরেছেন। তাই এই শক্তিকে এর ভিতরে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।’’
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত