চালতাবাগানের পুজোয় ‘নিশান’, রামনামী সমাজের অনুপ্রেরণায় এ বার ‘অক্ষর থেকে আকার’
কলকাতা, ৩১ আগস্ট (হি. স.): কোনো রকম রাখঢাক না করেই সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া যাক— ত্বকে লেখা নাম, বাতাসে ভেসে চলা সুর আর মণ্ডপে ফুটে ওঠা শিল্প— এই তিনকে একসূত্রে বেঁধেই এ বার দুর্গাপুজোর ভাবনা মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টি দুর্গাপুজোর। সোমবার ৮৪তম বর্ষে
চালতাবাগান লোহাপট্টি দুর্গাপুজোর থিম ঘোষণা


কলকাতা, ৩১ আগস্ট (হি. স.): কোনো রকম রাখঢাক না করেই সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া যাক— ত্বকে লেখা নাম, বাতাসে ভেসে চলা সুর আর মণ্ডপে ফুটে ওঠা শিল্প— এই তিনকে একসূত্রে বেঁধেই এ বার দুর্গাপুজোর ভাবনা মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টি দুর্গাপুজোর। সোমবার ৮৪তম বর্ষের পুজোর থিম ‘নিশান - দ্য মার্ক’ প্রকাশ করল পুজো কমিটি। ছত্তীশগড়ের রামনামী সমাজের ভাবনা থেকেই মূলতঃ এই থিমের সূত্রপাত।

​এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে রামনামী সমাজের প্রবীণ সদস্যদের উপস্থিতিতে থিমের সুর প্রকাশ করেন গ্র্যামি জয়ী ও পদ্মভূষণ প্রাপক পণ্ডিত বিশ্বমোহন ভাট। তাঁর বিশেষভাবে রচিত সুরে মোহন বীণায় ফুটে উঠেছে ‘নিশান ও নাদ’-এর ভাবনা। শিল্পী অদিতি চক্রবর্তীর পরিকল্পনায় এ বার তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ।

​রামনামী সমাজের সদস্যেরা সারা শরীরে ‘রামনাম’ ট্যাটু বা ট্যাটুর মতো করে অঙ্কিত করেন। ১৮৯০-এর দশকে জাতিভিত্তিক বঞ্চনার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হিসেবে এই রীতির সূচনা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। শরীরে লেখা সেই নামকেই এ বার শিল্পের ভাষায় মণ্ডপে তুলে ধরতে চায় চালতাবাগান। পুজো কমিটির কথায়, তাঁদের মূল ভাবনা— ‘অক্ষর থেকে আকার’।

​এ দিন ‘দুর্গা পুজো কানেক্ট’ নামক একটি বিশেষ অ্যাপেরও সূচনা করা হয়। বিশ্বজুড়ে পুজোর অনুরাগী ও প্রবাসী বাঙালিদের যুক্ত করার এই ডিজিটাল উদ্যোগে থাকবে পুজো আবিষ্কার, অংশগ্রহণ এবং নিজেদের উপস্থিতি জানানোর সুযোগ। উল্লেখ্য, এ বছর আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়া অনুষ্ঠিত হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande