
নয়াদিল্লি, ৩১ আগস্ট (হি. স.): নাজফগড়ের গ্রামীণ স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (আরএইচটিসি)-এর পরিষেবা ও পরিকাঠামোর অগ্রগতি সোমবার পর্যালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। অসম্পূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা আরও উন্নত করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেন তিনি।
হাসপাতালে চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মীদের উপস্থিতি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং মেডিক্যাল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েও আধিকারিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন নাড্ডা। তাঁর বক্তব্য, রোগীদের উন্নত চিকিৎসার পাশাপাশি মেডিক্যাল ও নার্সিং পড়াশোনা এবং প্রশিক্ষণের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
নাজফগড়ের আরএইচটিসিতে বর্তমানে বহির্বিভাগ (ওপিডি) ও জরুরি পরিষেবা চালু রয়েছে। অ্যান্টি-র্যাবিস টিকাকরণ, সাপের কামড়ের চিকিৎসা, জনঔষধি কেন্দ্র, পরীক্ষাগার ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও রয়েছে। কেন্দ্রের মাইনর অপারেশন থিয়েটারও চালু রয়েছে।
আধিকারিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৭ হাজার রোগী ওপিডিতে এবং ৯ হাজার রোগী জরুরি বিভাগে আসেন। ২০২৬ সালের আগস্টে সেখানে ২২১টি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে। ‘টিবি মুক্ত ভারত’ অভিযানের আওতায় নিয়মিত রোগীদের মধ্যে যক্ষ্মার উপসর্গও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
আরএইচটিসিকে আয়ুষ্মান ভারতের প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (পিএম-জেএওয়াই)-র আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে যোগ্য রোগীরা এই প্রকল্পের অধীনে চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। কেন্দ্রটির পরিষেবা আরও উন্নত করতে সফদরজং হাসপাতাল, রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল, এবিভিআইএমএস এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ম্যালেরিয়া রিসার্চের (এনআইএমআর) মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও সহযোগিতা করা হচ্ছে।
নাড্ডা বলেন, নাজফগড়ের আরএইচটিসিকে এমন একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে চিকিৎসা পরিষেবার পাশাপাশি মেডিক্যাল শিক্ষা, নার্সিং প্রশিক্ষণ এবং স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবাও সমন্বিত ভাবে উন্নত করা যায়।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য