দেশজুড়ে জনসংযোগ অভিযানে নামছে সিজেপি
ছত্রপতি সম্ভাজীনগর, ৬ আগস্ট (হি. স.) : আগামী মাস থেকে দেশজুড়ে ‘কী বলছে জনতা?’ শীর্ষক জনসংযোগ অভিযান শুরু করতে চলেছে সিজেপি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তাঁদের সমস্যা, মতামত
দেশজুড়ে জনসংযোগ অভিযানে নামছে সিজেপি


ছত্রপতি সম্ভাজীনগর, ৬ আগস্ট (হি. স.) : আগামী মাস থেকে দেশজুড়ে ‘কী বলছে জনতা?’ শীর্ষক জনসংযোগ অভিযান শুরু করতে চলেছে সিজেপি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তাঁদের সমস্যা, মতামত এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার ছত্রপতি সম্ভাজীনগরে দলের কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে দীপকে বলেন, এই অভিযানের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন দলের প্রতিনিধিরা। তাঁদের বক্তব্য, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মতামত কী এবং তাঁরা কোন কোন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, তা জানাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

ছত্রপতি সম্ভাজীনগরে অভিজিৎ দীপকের বাসভবনে শুরু হওয়া কোর কমিটির বৈঠক বৃহস্পতিবার শেষ হয়। বৈঠকে সাংগঠনিক কর্মসূচি, জনসংযোগ অভিযান এবং দলের সম্প্রসারণের রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দীপকে বলেন, সম্প্রতি যন্তর-মন্তরে হওয়া আন্দোলন প্রমাণ করেছে, কর্মসংস্থানের সংকট শুধু পড়ুয়াদের নয়, দেশের বিপুল সংখ্যক বেকার যুবকেরও সমস্যা। আন্দোলনে বহু যুবকের অংশগ্রহণ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে। তাঁর মতে, এটি ছিল যুবসমাজের ঐক্য এবং গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের দাবি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, বেকারত্ব বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা। এই বিষয়টিকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরতে সিজেপি ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের পক্ষেও প্রশ্ন করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, স্কুল স্তর থেকেই শিক্ষা ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে এবং শিক্ষাকে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন চায় তাঁদের দল।

অভিজিৎ দীপকে জানান, দেশের প্রতিটি রাজ্য ও জেলায় বেকারত্বের প্রশ্নকে সামনে আনতে বিভিন্ন বৈঠক, জনসংযোগ কর্মসূচি, যুব সম্মেলন এবং জনসচেতনতামূলক অভিযান চালানো হবে। তাঁর মতে, কর্মসংস্থানের দাবিতে ব্যাপক জনমত গড়ে উঠলেই কার্যকর সমাধানের পথ তৈরি হবে।

এদিন তিনি যুব সমাজের উদ্দেশে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে নিজেদের অধিকার ও কর্মসংস্থানের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, দেশের উন্নয়নে যুবকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাঁদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তুললে কর্মসংস্থানের প্রশ্ন জাতীয় নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande