আচার্য বিনোবা ভাবের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর
নয়াদিল্লি, ১১ সেপ্টেম্বর (হি.স.): স্বাধীনতা সংগ্রামী, সমাজকর্মী তথা বিশিষ্ট গান্ধীবাদী নেতা আচার্য বিনোবা ভাবের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে বলেছেন, তাঁর
বিনোবা ভাবে


নয়াদিল্লি, ১১ সেপ্টেম্বর (হি.স.): স্বাধীনতা সংগ্রামী, সমাজকর্মী তথা বিশিষ্ট গান্ধীবাদী নেতা আচার্য বিনোবা ভাবের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে বলেছেন, তাঁর অনুপ্রেরণামূলক 'জয় জগৎ' ধ্বনি সমস্ত সীমানা অতিক্রম করে মানবতাকে সর্বাগ্রে রাখার বার্তা দেয়। তিনি তাঁর বিভিন্ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে সকলের কল্যাণ ও ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেছেন। সমতা, সম্মান এবং সেবায় আচার্য বিনোবা ভাবের অটল বিশ্বাস সমাজের সবচেয়ে বঞ্চিত শ্রেণীকে শক্তি জুগিয়েছে।

উল্লেখ্য, বিনোবা ভাবে ১৮৯৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের কোঙ্কন অঞ্চলের গাগোড়ে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন| শৈশব থেকেই আধ্যাত্মিক চিন্তাভাবনা ও সমাজসেবার প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল। ১৯১৬ সালে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সংস্পর্শে আসেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন ও নানা গঠনমূলক কাজে যুক্ত হন। গান্ধীজিই তাঁকে ‘বিনোবা’ নাম দেন। ১৯৫১ সালে তেলঙ্গানার পোচামপল্লী থেকে তিনি ভূদান আন্দোলন শুরু করেন। ভূমিহীন মানুষদের জন্য তিনি জমি দানের আহ্বান জানান। এরপর তিনি প্রায় ৬৫ হাজার কিলোমিটার পদযাত্রা করে সারা দেশে ভূদান ও গ্রামদানের বার্তা ছড়িয়ে দেন। তাঁর এই প্রচেষ্টার ফলে লক্ষ লক্ষ একর জমি দান হিসেবে পাওয়া যায়। বিনোবা ভাবে ভগবদগীতা সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ অনুবাদ করেছেন। তিনি নিজেকে মূলত একজন শিক্ষক হিসেবে বিবেচনা করতেন। ১৯৫৮ সালে তিনি সামাজিক নেতৃত্বের জন্য রামন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৮৩ সালে তাঁকে মরণোত্তরভাবে ভারতরত্ন প্রদান করা হয়। ১৯৮২ সালের ১৫ নভেম্বর তাঁর প্রয়াণ হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande