ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা অন্যতম অগ্রাধিকার : মুখ্যমন্ত্রী
কলকাতা, ১৭ সেপ্টেম্বর (হি.স.): ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা রাজ্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে প্রত্যেক প
কেষ্টপুরে গণেশ পুজোর উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর


কলকাতা, ১৭ সেপ্টেম্বর (হি.স.): ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা রাজ্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে প্রত্যেক পড়ুয়ার জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশে উন্নত মানের সুষম ও পুষ্টিকর আহার সুনিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে পুষ্টির ঘাটতি দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, মিড-ডে মিল (পিএম পোষণ) পরিষেবাকে আরও ফলপ্রসূ ও স্বাস্থ্যসম্মত করতে ইসকন-এর সহযোগী সংস্থা ‘অন্নমৃতা ফাউন্ডেশন’-এর সঙ্গে রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগ সফলভাবে এগিয়ে চলেছে। প্রকল্পের প্রথম ধাপে পয়লা আগস্ট থেকে রাজ্যের প্রায় ৩০ হাজার ছাত্রছাত্রীদের কেন্দ্রীভূত আধুনিক রন্ধনশালার মাধ্যমে রান্না করা পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়। স্বয়ংক্রিয় ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাদ্য প্রস্তুত করা, নির্ধারিত ক্যালোরি ও প্রোটিনের মান বজায় রাখা এবং সময়মতো খাবার পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটি দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।

মুখ্যমন্ত্রী এও জানান, প্রাথমিক সাফল্যের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার এই পরিষেবার পরিধি বাড়িয়ে আরও ১৫ হাজার ছাত্রছাত্রীদের এর আওতায় নিয়ে আসে। এর ফলে বর্তমানে মোট ৪৫ হাজার পড়ুয়া উন্নত মানের মিড-ডে মিলের সুবিধা পাচ্ছে। আগামী পয়লা অক্টোবর তারিখ থেকে ১ লক্ষ ছাত্রছাত্রীদের এই পরিষেবার সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে ধাপে ধাপে এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের প্রতিটি সরকারি ও সরকার-পোষিত বিদ্যালয়ের সমস্ত পড়ুয়ার কাছে এই সুষম আহার পৌঁছে দেওয়ার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যালয় স্তরে ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করে প্রতিটি শিশুর সুস্থ শরীর, প্রখর মেধা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের মজবুত ভিত গড়ে তুলতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সর্বদা সচেষ্ট।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande