এআই দিয়ে নকল তথ্য তৈরি করে অনলাইন লটারি প্রতারণা, ডানকুনিতে গ্রেফতার ৫
হুগলি , ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নকল তথ্য ও নথি তৈরি করে অনলাইন লটারির নামে প্রতারণার অভিযোগ। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশের অভিযানে ডানকুনির সূর্যসেন নগর এলাকা থেকে বিহারের পাঁচ যুবককে গ্রেফতার করা
পুলিশের সাংবাদিক সম্মেলন


হুগলি , ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নকল তথ্য ও নথি তৈরি করে অনলাইন লটারির নামে প্রতারণার অভিযোগ। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশের অভিযানে ডানকুনির সূর্যসেন নগর এলাকা থেকে বিহারের পাঁচ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে নালন্দা, গয়া ও শেখপুরা এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

চন্দননগর পুলিশের ডিসি ডিডি রূপান্তর সেনগুপ্ত শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, সাইবার অপরাধ দমনে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলিতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এনসিআরপি পোর্টালে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তদন্ত শুরু হয়। ডানকুনির এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতারের পর এখনও পর্যন্ত মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দাবি, ডানকুনিকে কেন্দ্র করে সক্রিয় এই প্রতারণা চক্রটি ফেসবুকে অনলাইন লটারির বিজ্ঞাপন দিত। সেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতারিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের মোবাইল নম্বর-সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হতো। এরপর সেই তথ্য দিয়ে তৈরি করা হতো একটি ডেটাবেস।

তদন্তে উঠে এসেছে, লটারি জেতার ভুয়ো তথ্য এবং নকল নথি দেখিয়ে প্রথমে প্রতারিতদের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করা হতো। পুরস্কারের টাকা কবে পাওয়া যাবে, তা জানতে চাইলে কখনও জিএসটি, কখনও আয়কর, আবার কখনও অন্য কোনও কারণ দেখিয়ে টাকা দাবি করা হতো। এআই-এর সাহায্যে তৈরি করা বিভিন্ন নকল তথ্য ও নথিও ব্যবহার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতারণার টাকা বিহারের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। ডানকুনিতে বসে এই চক্রটি এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা প্রতারণা করেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০টি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, ২২টি সিম কার্ড, ২৩টি ডেবিট কার্ড এবং একটি পাসবই। পাশাপাশি এআই-এর সাহায্যে তৈরি করা একাধিক নকল তথ্য ও নথিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুরো চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং প্রতারণার টাকা কোথায় কোথায় লেনদেন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande