বিতর্কের আবহে দ্বিতীয়বার মোছা হল যাদবপুরের দেওয়াল লিখন
কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর (হি স)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশের পরে রবিবারই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল থেকে ছাত্রছাত্রীদের লেখা স্লোগান সাদা রঙের প্রলেপে মুছে দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পরে ফের তার ওপর লেখা হয় প্রতিবাদী শ্
বিতর্কের আবহে দ্বিতীয়বার মোছা হল যাদবপুরের দেওয়াল লিখন


কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর (হি স)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশের পরে রবিবারই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল থেকে ছাত্রছাত্রীদের লেখা স্লোগান সাদা রঙের প্রলেপে মুছে দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার পরে ফের তার ওপর লেখা হয় প্রতিবাদী শ্লোগান।

মঙ্গলবার গভীর রাতে দেখা গেল আবার মুছে দেওয়া হয়েছে যাদবপুরের দেওয়াল–লিখন।

রেভেলিউশনারি স্টুডেন্টস ফ্রন্ট-এর (আরএসএফ) যাদবপুর ইউনিটের সম্পাদক ইন্দ্রানুজ রায় বুধবার অভিযোগ করেন, ‘‘রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ আমার কাছে খবর আসে, কলকাতা পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভার লোক বলে পরিচয় দিয়ে যাদবপুর ক্যাম্পাসের ৪ নম্বর গেট দিয়ে বেশ কয়েক জন ক্যাম্পাসে ঢুকছে। বলা হয়, পুরসভার লোক দেওয়াল–লিখন চুনকাম করবে। পাহারা দেওয়ার জন্য পুলিশ এসেছে।’’

ইন্দ্রানুজের দাবি, এই ঘটনা জানার পরে তিনি হস্টেলে থাকা পড়ুয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু খবর পাওয়ার পরেও ছাত্রছাত্রীরা হস্টেল থেকে বেরোতে পারেননি। কারণ, তাঁদের বেরোতে দেওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি তাদের।

পরে গভীর রাতে যখন পড়ুয়ারা বেরোতে পারেন, তখন তাঁরা দেখতে পান বেশ কিছু দেওয়াল–লিখন সাদা রঙের প্রলেপে মুছে দেওয়া হয়েছে। সাদা রঙে ঢেকেছে সোমবার লেখা সেই কার্ল মাক্সের উক্তিও। সেই ছবি ছাত্রছাত্রীরা মাঝ রাতেই তুলে পাঠান ইন্দ্রানুজকে।

প্রসঙ্গত, প্রথম পর্যায়ে মোছার পরে এসএফআইয়ের তরফে দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে নানা স্লোগানে নতুন করে ভরিয়ে দেওয়া হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল।

যদিও তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই দেওয়ালে আবার ফিরে আসে স্লোগান। লেখা হয় কার্ল মার্ক্সের উক্তি— ‘আমাদের সময় যখন আসবে তখন আমরা বৈপ্লবিক শক্তি প্রয়োগ করতে দ্বিধা করব না।’

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande