
কলকাতা, ২৫ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : শুক্রবার টেট সংক্রান্ত নির্দেশনামা প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিনই জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য টেট-এর প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্য। স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ জানতে চাওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষক পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে।
শিক্ষকেরা কী করবেন, তাঁরা জানেন না। এমনকি কারা পরীক্ষা দিতে পারবেন, কাদের পরীক্ষা দিতে হবে, তা-ও স্পষ্ট নয়।
শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানান, ১৯৯৮ সাল থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষকতার চাকরি শুরু হয়। সে সময় ‘টেট’ নামক কোনও পরীক্ষাই ছিল না। ২০১১ সাল পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিষয় ভিত্তিক নিয়োগ হত।
স্নাতকে পাস কোর্স ডিগ্রি থাকা শিক্ষকেরা পড়াতে পারতেন সর্বোচ্চ দশম শ্রেণি পর্যন্ত— যাকে বলা হত ‘নরম্যাল সেকশন’। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকা শিক্ষকেরা পড়াতে পারতেন সর্বোচ্চ দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত— একে বলা হত ‘পিজি (পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন) সেকশন’।
তখন উচ্চপ্রাথমিক বা নবম-দশমের মধ্যে কোনও পার্থক্য ছিল না। তাঁদের প্রশ্ন ওই শিক্ষকেরা কি টেট-এ আওতায় পড়বেন? এ সংক্রান্ত কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই দফতরের তরফে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত