
আগরতলা, ২৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : জনকল্যাণ ও জনসেবায় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর দায়িত্ব পালনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষয়ে আগামী ৭ অক্টোবর ত্রিপুরায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা’। ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে সফল করে তুলতে মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর সভাপতিত্বে তাঁর অফিসকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে কর্মসূচির প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, টিআইডিসি-র চেয়ারম্যান নবাদল বণিক-সহ বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে রাজ্যের আটটি জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গেও ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেন পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ও বিধায়ক অভিষেক দেবরায়। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠান আয়োজন, অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং কর্মসূচির সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, ‘সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা’র মূল উদ্দেশ্য হল জনসেবামূলক কাজের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করা। এই কর্মসূচিতে কলেজ স্তরের ছাত্র-যুবাদের আরও বেশি করে যুক্ত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। যুব সমাজকে সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে কর্মসূচিকে ব্যাপক রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী জানান, আগামী ৭ অক্টোবর সকাল ১১টার আগেই ‘সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা’ কর্মসূচি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরপর সকাল ১১টা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিগুলি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিনের বৈঠকে বিধায়ক অভিষেক দেবরায়ও যুব সমাজের ব্যাপক অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। কলেজ পড়ুয়া ও তরুণদের কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-কে আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব কিরণ গিত্তে এবং অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য্য ‘সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা’কে সফল করতে দফতরের পক্ষ থেকে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে পর্যটনমন্ত্রীকে অবহিত করেন। বৈঠকে জানানো হয়, কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে ‘সেবা জ্যোতি’ নিয়ে শোভাযাত্রার পাশাপাশি সাইকেল র্যালি ও বাইক র্যালিরও আয়োজন করা হবে।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও এলাকায় এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি সুষ্ঠু সমন্বয়ের ওপরও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করে ৭ অক্টোবরের কর্মসূচিকে সফল করে তুলতে সংশ্লিষ্ট দফতর, প্রশাসন ও আয়োজকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ