উন্নয়নের বৈষম্য কমাতে হবে, ছ’টি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য : মোহন ভাগবত
যাবৎমল (মহারাষ্ট্র), ২৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ঘটলেও তার সুফল যেন সমাজের প্রতিটি স্তরে সমভাবে পৌঁছয়, সেই পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের যাবৎমলে আয়োজিত এ
মোহন ভাগবত


যাবৎমল (মহারাষ্ট্র), ২৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ঘটলেও তার সুফল যেন সমাজের প্রতিটি স্তরে সমভাবে পৌঁছয়, সেই পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের যাবৎমলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানান, ভারতের মতো বিশাল দেশে সবার ক্ষেত্রে একই গতিতে উন্নয়ন সম্ভব না হলেও সমাজের উচ্চবিত্ত ও প্রান্তিক শ্রেণির মধ্যে থাকা জীবনযাত্রার ফারাক যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা জরুরি। সেই সঙ্গে দেশের প্রত্যেকটি মানুষের আত্মমর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য ছয়টি মৌলিক শর্ত পূরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

অতীতে ভারতের সমাজব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে সংঘ প্রধান বলেন, এককালে দেশে অসচ্ছলতা থাকলেও বেঁচে থাকার ন্যূনতম উপকরণ বা পেট ভরানোর খাদ্যের সংস্থান থেকে কেউ বঞ্চিত হতেন না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সমাজের প্রতিটি নাগরিকের মূলত ছ’টি মৌলিক বিষয়ের নিশ্চয়তা থাকা প্রয়োজন—অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান; উপযুক্ত জীবনমুখী শিক্ষা; সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা পরিষেবা; এবং অতিথিকে সাদরে আপ্যায়ন করার ন্যূনতম সামর্থ্য। কারও জীবনে যেন এই ছ’টি উপাদানের টান না পড়ে।

তিনি বলেন, অতীতেও দেশে দরিদ্র মানুষ ছিলেন, তবে এই ছয়টি মৌলিক চাহিদার বিচারে তাঁরা নিঃস্ব ছিলেন না। তাঁদেরও নিজস্ব মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল; পার্থক্য শুধু এটুকুই যে সেই বাড়িগুলি পাথরের অট্টালিকা না হয়ে মাটির দেওয়াল দিয়ে তৈরি হতো। সমাজে শালীনভাবে চলাফেরা করার মতো সুতির পোশাক তাঁদের গায়ে উঠত, হয়তো রেশমের জামা ছিল না।

উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি ও অসমতা প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, দেশে নিঃসন্দেহে উন্নয়ন হচ্ছে। তবে একযোগে সবার একই গতিতে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, সবাই একই অর্থনৈতিক স্তরে থাকবে এমনটা আশা করাও বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু উন্নয়নের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন স্তরের মানুষের মধ্যকার এই দূরত্ব যাতে আকাশছোঁয়া না হয়ে ন্যূনতম থাকে, সেই দিকেই প্রশাসন ও সমাজকে নজর দিতে হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande