যোগাসন প্রতিযোগিতায়, রাজ্য চ্যাম্পিয়ান বিনোদ ও প্রমিতি
দুর্গাপুর, ২৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): রাজ্য যোগাসন প্রতিযোগিতায় আবার সাফল্য জেলার। চলতি বছর যোগাসন প্রতিযোগিতায় রাজ্য চ্যাম্পিয়ান হল পুরুষ বিভাগে বিনোদ চৌধুরী ও মহিলা বিভাগে প্রমিতি বর্মন। বিনোদ হুগলি জেলার বাসিন্দা ও প্রমিতি নদীয়ার বাসিন্দা। উল্লেখ্
যোগাসন প্রতিযোগিতায়, রাজ্য চ্যাম্পিয়ান বিনোদ ও প্রমিতি


দুর্গাপুর, ২৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): রাজ্য যোগাসন প্রতিযোগিতায় আবার সাফল্য জেলার। চলতি বছর যোগাসন প্রতিযোগিতায় রাজ্য চ্যাম্পিয়ান হল পুরুষ বিভাগে বিনোদ চৌধুরী ও মহিলা বিভাগে প্রমিতি বর্মন। বিনোদ হুগলি জেলার বাসিন্দা ও প্রমিতি নদীয়ার বাসিন্দা।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দুর্গাপুরের ইছাপুর এনসি হাইস্কুলে চলছিল ৪৪ তম রাজ্য যোগাসন চ্যাম্পিয়ানশিপ প্রতিযোগিতা। আয়োজক পশ্চিম বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট ফিজিকাল কালচারাল অ্যাশোশিয়েশন। তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গ যোগা সোসাইটি। জানা গেছে, এবারে রাজ্যের ২০ টি জেলা থেকে প্রায় ৭০০ প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল। পুরুষ ও মহিলাদের ৮ বিভাগে খেলা হয়। আয়োজকদের পক্ষে তরুন মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রত্যেক বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারিকদের পুরস্কৃত করা হয়। এবং প্রতি বিভাগের এই তিনজন করে জাতীয়স্তরে যোগাসন চ্যাম্পিয়ানশিপে অংশগ্রহণ করবে। প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারিকদের পুরস্কৃত ও অংশগ্রহনকারীদের মেডেল, ট্রফি ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এবারে পুরুষ বিভাগে রাজ্য চ্যাম্পিয়ান হয়েছে হুগলির বিনোদ চৌধুরী, রানার্স হয়েছে সুরঞ্জয় দাস। মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে নদীয়ার প্রমিতি বর্মন, রানার্স হয়েছে সায়ন্তিকা ভৌমিক। এছাড়াও দলগত চ্যাম্পিয়ান হয়েছে সাউথ কলকাতা যোগাসন অ্যাশোসিয়েশন। তারা পয়েন্ট পেয়েছে ৭৩। রানার্স হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ডিস্ট্রিক্ট বডি বিল্ডিং যোগা এন্ড স্পোর্টস অ্যাসোশিয়েশন। পয়েন্ট পেয়েছে ৬৯। চ্যাম্পিয়ানশিপে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারী, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রান্ত সহ কার্যবাহ অচ্যুত হাজরা, ইন্ডিয়ান যোগা ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মৃন্ময় সাহা, রাজ্য যোগা সেসাইটির সাধারন সম্পাদক দেবাশীষ চ্যাটার্জী। পশ্চিম বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট ফিজিকাল কালচারল অ্যাশোসিয়েশনের সভাপতি সুভাষ আগরওয়াল, যুগ্ম সম্পাদক সীমা দত্ত চ্যাটার্জী। আয়োজকদের পক্ষে সীমা দত্ত চ্যাটার্জী বলেন, অতীতে এধরনের চ্যাম্পিয়ানশিপ শহর কেন্দ্রীক হত। গ্রামীণ এলাকায় প্রতিভাদের অনুপ্রেরনা দিতে এবার শহর ছাড়িয়ে গ্রামে রাজ্য চ্যাম্পিয়ানশিপ করা হয়েছে। দরুন সাড়া পাওয়া গেছে। প্রতিযোগিদের মধ্যে নজরকাড়া উৎসাহ ছিল। আগামীদিনে আরও অন্যান্য রাজ্য স্তরের ক্রিড়া প্রতিযোগিতা গ্রামীণ এলাকায় করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande