এসআইআর সফল করতে মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার ও রাজ্যে ৩৫৬ জারি হোক, দাবি দিলীপ ঘোষের
দুর্গাপুর, ১৪ জানুয়ারি (হি.স.): ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় ফর্ম-৭ জমা নেওয়া নিয়ে রাজ্যজুড়ে টালবাহানার অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার এবং পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি তুললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভা
এসআইআর সফল করতে মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার ও রাজ্যে ৩৫৬ জারি হোক, দাবি দিলীপ ঘোষের


দুর্গাপুর, ১৪ জানুয়ারি (হি.স.): ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় ফর্ম-৭ জমা নেওয়া নিয়ে রাজ্যজুড়ে টালবাহানার অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার এবং পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি তুললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

বুধবার মকরসংক্রান্তির দিনে জয়দেব মেলায় যাওয়ার আগে দুর্গাপুরে চা-চক্রে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মানছে না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ভয় দেখানো হচ্ছে, যার ফলে ফর্ম-৭ গ্রহণ করা হচ্ছে না।

দিলীপ ঘোষ বলেন, “কমিশন আপত্তি জানানোর সময় দিয়েছে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু রাজ্য সরকারের চাপে নিচুতলার কর্মীরা ফর্ম নিতে অস্বীকার করছে। এটা হলে এসআইআর করার কোনও অর্থই থাকে না। নির্বাচন কমিশনের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা।”

তিনি আরও দাবি করেন, রাজ্যে মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫৮ লক্ষে পৌঁছেছে এবং বিপুল সংখ্যক ভুয়ো নাম ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, “২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেমন মনোনয়ন জমা নিতে দেওয়া হয়নি, এবারও তেমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।”

আই-প্যাক কার্যালয়ে ইডির তল্লাশি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ফাইল চুরি নয়, এটা ছিনতাই। পুলিশ যদি সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীকেও জেলে যেতে হত। যাঁরা সঙ্গে ছিলেন, তাঁরাও সমান অপরাধী।”

তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে প্রশাসন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে এবং তৃণমূল কংগ্রেস মাফিয়া ও সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে। আদালতের ওপরেই এখন সাধারণ মানুষের শেষ ভরসা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফর্ম-৭ প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আপনারা সাধারণ মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। ভয় পাবেন না। এই সরকার বেশি দিন নেই।”

মকরসংক্রান্তির দিন হাতে ডুগডুগি নিয়ে দেখা যায় দিলীপ ঘোষকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “২০২৬-এ তৃণমূলের ডুগডুগি বাজবে। বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। এই সরকার সরিয়ে স্বচ্ছ ও হিংসামুক্ত প্রশাসন গড়তেই হবে।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande