প্রজাতন্ত্র দিবসকে সামনে রেখে খোয়াই সীমান্তে যৌথ টহলদারি
খোয়াই (ত্রিপুরা), ১৮ জানুয়ারি (হি.স.) : একদিকে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা, অন্যদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই খোয়াই সীমান্ত এলাকায় রাতভর যৌথ টহলদারি চালানো হয়েছে। শনিবার মধ্যর
যৌথ টহলদারি খোয়াই সীমান্তে


খোয়াই (ত্রিপুরা), ১৮ জানুয়ারি (হি.স.) : একদিকে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা, অন্যদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই খোয়াই সীমান্ত এলাকায় রাতভর যৌথ টহলদারি চালানো হয়েছে। শনিবার মধ্যরাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত প্রায় ২৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ, টিএসআর ও বিএসএফ-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযানে ডগ স্কোয়াডও ব্যবহার করা হয়। খোয়াই থেকে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সীমনাস্থিত ‘ছুছুন্দর নালা’ সীমান্ত পর্যন্ত পুরো এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হেঁটে ও গাড়িতে টহল দেন।

এই যৌথ অভিযানের নেতৃত্ব দেন খোয়াই মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ডি. কুদিয়ারাসু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন খোয়াই থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার এবং বাইজালবাড়ি ফাঁড়ির ওসি যুগল কিশোর ত্রিপুরা। বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে অভিযানে অংশ নেন ১০৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের কোম্পানি কমান্ডেন্ট সুরিয়াভান সিং। পাশাপাশি পহরমুড়া, বগাবিল, বেলছড়া ও খেংড়াবাড়ি বিএসএফ ক্যাম্পের ইনচার্জরাও টহলদারিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

নিরাপত্তা বাহিনী সীমান্ত সংলগ্ন জনবসতি, সংবেদনশীল এলাকা ও সম্ভাব্য চলাচলের রুটগুলিতে বিশেষ নজরদারি চালায়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

একইসঙ্গে সীমান্তের দু’পারের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়।

রাতভর এই টহলদারির ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে স্বস্তির ভাব লক্ষ্য করা গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, আগামী দিনগুলিতে এ ধরনের যৌথ নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande