নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রচার ট্যাবলো ভাঙচুর, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
নন্দীগ্রাম, ১৯ জানুয়ারি (হি. স.): সোমবার নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর ও সোনাচূড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির প্রচার ট্যাবলো ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঙচুরের এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়েছে
বিজেপি টিমসি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব


নন্দীগ্রাম, ১৯ জানুয়ারি (হি. স.): সোমবার নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর ও সোনাচূড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির প্রচার ট্যাবলো ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঙচুরের এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়েছে কড়া রাজনৈতিক বাদানুবাদ।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের পাল্টা সমালোচনা করে এলাকায় একাধিক প্রচার ট্যাবলো বসিয়েছিল বিজেপি। ওই ট্যাবলোগুলিতে তৃণমূল সরকারের কাজের বিরোধিতায় বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হচ্ছিল। কিন্তু সোমবার সকালে কালীচরণপুর ও সোনাচূড়া এলাকায় ওই ট্যাবলোর বেশ কয়েকটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

​বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই ভয় পেয়ে রাতের অন্ধকারে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূল নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের কোনও হাত নেই; বরং বিজেপির অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই এই ভাঙচুরের মূল কারণ। তাঁদের দাবি, দলের এক গোষ্ঠী অন্য গোষ্ঠীর প্রাধান্য মেনে নিতে না পেরেই প্রচার সামগ্রী নষ্ট করেছে।

​এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সকাল থেকেই নন্দীগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ভাঙচুরের এই ঘটনার পিছনে প্রকৃত কারণ কী, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande