অসমে ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী কোকরাঝাড়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন মন্ত্রী জয়ন্তমল্ল
কোকরাঝাড় (অসম), ২৩ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : আগামী ১৩ মার্চ অসমের কোকরাঝাড়ে ভুটানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী এক ঐতিহাসিক রেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এখানে
কোকরাঝাড়ের গ্রিনফিল্ড ময়দানে রাজ্যের মন্ত্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়া


কোকরাঝাড় (অসম), ২৩ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : আগামী ১৩ মার্চ অসমের কোকরাঝাড়ে ভুটানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী এক ঐতিহাসিক রেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এখানে এসেছেন রাজ্যের মন্ত্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়া।

কোকরাঝাড়ে প্রস্তাবিত এই উদ্যোগকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য কৌশলগত ও উন্নয়নমূলক এক বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গোটা অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে কোকরাঝাড়ের গ্রিনফিল্ড ময়দানে। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে।

প্রস্তাবিত রেল সংযোগটি সীমান্ত-পার যোগাযোগ বৃদ্ধি, ভুটানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করা এবং অসম সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন উন্নয়নের দ্বার উন্মুক্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্প ছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর সফরকালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এর মাধ্যমে অঞ্চলে পরিকাঠামো সম্প্রসারণে কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্রাধিকার আরও স্পষ্ট হবে।

সফর সফল করতে ইতিমধ্যে রাজ্য ও আঞ্চলিক স্তরের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তুতি শুরু করেছেন। অসম মন্ত্রিসভার সদস্য জয়ন্তমল্ল বরুয়া, অসমের মুখ্যসচিব ড. রবি কোটা এবং বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল কাউন্সিল (বিটিসি)-এর প্রধান হাগ্রামা মহিলারি আজ সোমবার গ্রিনফিল্ড ময়দান পরিদর্শন করে নিরাপত্তা, লজিস্টিক, মঞ্চ নির্মাণ এবং জনসমাগম সংক্রান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে বিটিসি সচিবালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা নিরাপত্তা প্রটোকল, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভিড় ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক সমন্বয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনা মাথায় রেখে কোকরাঝাড় শহর ও আশপাশএ লাকায় নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

প্রস্তাবিত রেল সংযোগ প্রকল্প ভারত ও ভুটানের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। কৌশলগত দিক থেকেও এটি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার এবং উত্তরপূর্বকে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার বৃহত্তর নীতির অংশ।

বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অঞ্চলের জন্য এই প্রকল্প কেবল একটি রেললাইন নয়, এটি পরিকাঠামো-নির্ভর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক সংহতির প্রতি কেন্দ্রের নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হলে কোকরাঝাড়-ভুটান রেল করিডর সীমান্ত-পার বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande