গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনে সূচনা আলোকচিত্র প্রদর্শনী পূর্ণমিদম–এর
কলকাতা, ১২ মার্চ ( হি.স.): আপাত দৃষ্টিতে যা নিঃশেষিত, ধ্বংসপ্রায় - তার মধ্যে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে অতীতের গরিমা। পূর্ণমিদম-এর মধ্য দিয়ে উঠে এল ভারতবর্ষের জানা-অজানা গৌরবোজ্জ্বল অতীতের বহু আখ্যান। আলোকচিত্রী সৌম্য সেনগুপ্ত এবং ডঃ শ্রেয় সেনগুপ্ত

পূর্ণমিদম
 
পূর্ণমিদম
 
 

পূর্ণমিদম


কলকাতা, ১২ মার্চ ( হি.স.): আপাত দৃষ্টিতে যা নিঃশেষিত, ধ্বংসপ্রায় - তার মধ্যে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে অতীতের গরিমা। পূর্ণমিদম-এর মধ্য দিয়ে উঠে এল ভারতবর্ষের জানা-অজানা গৌরবোজ্জ্বল অতীতের বহু আখ্যান। আলোকচিত্রী সৌম্য সেনগুপ্ত এবং ডঃ শ্রেয় সেনগুপ্ত ফ্রেমবন্দি করেছেন ভারতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা স্থাপত্য ও ভাস্কর্য। বৃহস্পতিবার গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশন ইন্সটিটিউট অব কালচারের আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রদর্শনগৃহে সূচনা হলো তাঁদের আলোকচিত্র প্রদর্শনী– পূর্ণমিদম। চলবে শনিবার পর্যন্ত। গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী মহারাজদের মন্ত্রোচ্চারণ ও নটরাজের মূর্তিতে মাল্যদানের পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে প্রদর্শনীর সূচনা হয় ।

প্রদর্শনী প্রসঙ্গে সৌম্য সেনগুপ্ত বলেন, মূলত ভারতের কারুশিল্প এবং বিভিন্ন প্রদেশের লোকশিল্পকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসার প্রয়াসই এক্ষেত্রে মুখ্য। ইতিপূর্বে সরঙ্গ এবং বহির্ভব নামের দুটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। পূর্ণমিদম হলো এই ধারার অন্তর্ভুক্ত তৃতীয় সংস্করণ। সারা ভারত জুড়ে ছড়িয়ে থাকা শতাব্দী প্রাচীন হিন্দু মন্দির, বিশ্ববিদ্যালয়, গুহাচিত্রের পাশাপাশি এতে স্থান পেয়েছে বেশ কিছু বৌদ্ধ , জৈন, ইসলামিক স্থাপত্য ও ভাস্কর্য। প্রদর্শনীতে মূলত দেখানো হয়েছে মহারাষ্ট্রের অজন্তা গুহাচিত্র, বাংলার রাবণ-কাটা নৃত্য, গম্ভীরা, নবান্নের আলপনা, দার্জিলিংয়ের শা-চাম, মধ্যপ্রদেশের ভীমবেটকা, ত্রিপুরার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল সহ আরও বেশ কিছু বিষয়। রয়েছে কেরলের লোকশিল্প থেইয়াম–ও। প্রায় প্রতিটি ছবিই আলো-আধাঁরির রহস্যময়তার মধ্যে যেন হয়ে উঠেছে ভারতের বিস্মৃতপ্রায় সংস্কৃতির জীবন্ত প্রতিভূ।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৃজিতা বসাক




 

 rajesh pande