এলপিজি, পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত, গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন ছত্তিশগড়ের প্রশাসনের
বলরামপুর, ১৫ মার্চ (হি.স.) : এলপিজি গ্যাস, পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড়ের প্রশাসন। ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পর্যালোচনা বৈঠকের নির্দেশ অনুসারে রাজ্যে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নি
এলপিজি, পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত, গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন ছত্তিশগড়ের প্রশাসনের


বলরামপুর, ১৫ মার্চ (হি.স.) : এলপিজি গ্যাস, পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড়ের প্রশাসন। ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পর্যালোচনা বৈঠকের নির্দেশ অনুসারে রাজ্যে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

খাদ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, তেল সংস্থাগুলির কাছে এলপিজি, পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নিয়মিত সরবরাহ করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে গুজব বা বিভ্রান্তিকর প্রচারে কান না দিয়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এলপিজি বুকিং বা পেট্রোল-ডিজেল মজুত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এলপিজি, পেট্রোল ও ডিজেলের অবৈধ মজুত ও অপব্যবহার রুখতে খাদ্য দফতর এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ দল তল্লাশি চালিয়ে ব্যবস্থা নেবে। কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় পণ্য আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসন জানিয়েছে, এলপিজি, পেট্রোল বা ডিজেল পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হলে গ্রাহকেরা খাদ্য দফতরের ১৮০০-২৩৩-৩৬৬৩ বা ১৯৬৭ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া রাজ্যস্তরের কন্ট্রোল রুম ০৭৭১-২৫১১৯৭৫ নম্বরেও অভিযোগ জানানো যাবে। অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাজ্যে এলপিজি গ্যাসের বুকিং, বিতরণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও সুসংগঠিত করতে অতিরিক্ত নির্দেশ জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, গৃহস্থালির এলপিজি-র পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ে গ্রাহকদের সিলিন্ডার সরবরাহ করা হবে।

গৃহস্থালির এলপিজি গ্রাহকদের নির্দিষ্ট ব্যবধানে রিফিল বুকিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তেল সংস্থাগুলির নির্দেশ অনুযায়ী শহরে দুটি বুকিংয়ের মধ্যে ২৫ দিন এবং গ্রামীণ এলাকায় ৪৫ দিনের ব্যবধান রাখা বাধ্যতামূলক। গুজবের কারণে বারবার অনলাইন বুকিং না করার আবেদনও জানানো হয়েছে।

বাণিজ্যিক এলপিজি গ্রাহকদের ক্ষেত্রে আপাতত হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো অত্যাবশ্যক পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। দাহ্য/বিস্ফোরক পদার্থ রাখার সরকারি অনুমতি ছাড়া সর্বোচ্চ ১০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত এলপিজি মজুত রাখার অনুমতি রয়েছে।

এছাড়া এলপিজি সিলিন্ডারের মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে জেলা প্রশাসন ও তেল সংস্থাগুলি কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। সমস্ত গ্যাস এজেন্সিকে তাদের কাছে থাকা এলপিজির মজুতের তথ্য প্রকাশ করার এবং প্রতিদিন জেলা কন্ট্রোল রুমে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande