
জঞ্জগীর চম্পা, ১৫ মার্চ (হি.স.) : হিন্দু ধর্মে চৈত্র নবরাত্রির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। চলতি বছর ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে চৈত্র নবরাত্রি। টানা নয় দিন ধরে ভক্তরা মা দুর্গার নয়টি রূপের পুজো-অর্চনা করবেন, উপবাস পালন করবেন এবং ঘরে ঘট স্থাপন করে দেবীর আরাধনা করবেন।
ছত্তিশগড়ের জ্যোতিষাচার্য পণ্ডিত অতুল কৃষ্ণ দ্বিবেদীর মতে, চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকেই নবরাত্রির সূচনা হয় এবং নবমী তিথিতে রাম নবমীর সঙ্গে এটি সম্পন্ন হয়। এই সময় ভক্তরা মা দুর্গার উপাসনা করে সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি ১৯ মার্চ সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে শুরু হয়ে ২০ মার্চ ভোর ৪টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। উদয়তিথি অনুযায়ী ১৯ মার্চ থেকেই নবরাত্রির সূচনা ধরা হবে।
নবরাত্রির প্রথম দিনে ঘট স্থাপনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এ জন্য দুটি শুভ সময় নির্ধারিত হয়েছে। প্রথমটি সকাল ৬টা ৫২ মিনিট থেকে ৭টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত এবং দ্বিতীয়টি অভিজিৎ মুহূর্তে দুপুর ১২টা ৫ মিনিট থেকে ১২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত। এছাড়া ১৯ মার্চ সকাল ৬টা ২৬ মিনিট থেকে ৭টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত মীন লগ্নও ঘট স্থাপনের জন্য শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।
পণ্ডিত দ্বিবেদী জানান, নবরাত্রি যে দিনে শুরু হয় তার উপর নির্ভর করেই মা দুর্গার বাহন নির্ধারিত হয়। চলতি বছর বৃহস্পতিবার নবরাত্রি শুরু হওয়ায় ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী মা দুর্গার আগমন হবে পালকিতে । বিশ্বাস করা হয়, পালকিতে দেবীর আগমন সমাজে কিছু ওঠানামা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তাই ভক্তদের বিশেষ পুজো-অর্চনার মাধ্যমে দেবীকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করা উচিত।
নবরাত্রি উপলক্ষে মন্দির ও বাড়িতে দেবী দুর্গার পুজো, ভজন-কীর্তন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ভক্তরা নয় দিন ধরে দেবীর বিভিন্ন রূপের আরাধনা করবেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য