দক্ষিণ কলিকাতা সেবক সমিতির স্মারক বক্তৃতা, বিবেকানন্দ ও নেতাজির আদর্শ নিয়ে আলোচনা
কলকাতা, ২ মার্চ (হি.স.): দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতিধন্য প্রতিষ্ঠান ‘দক্ষিণ কলিকাতা সেবক সমিতি’-র উদ্যোগে গত রবিবার পদ্মপুকুর ইনস্টিটিউশনে ‘বীরত্ব ও বিবেক’ শীর্ষক এক স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হলো। ​অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা
বীরত্ব  ও বিবেক শীর্ষক সভায় উঠলো নেতাজির মৃত্যু দিন বাতিলের দাবি, ২৩শে জানুয়ারি জাতীয় ছুটির দাবি


বীরত্ব  ও বিবেক শীর্ষক সভায় উঠলো নেতাজির মৃত্যু দিন বাতিলের দাবি, ২৩শে জানুয়ারি জাতীয় ছুটির দাবি


কলকাতা, ২ মার্চ (হি.স.): দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতিধন্য প্রতিষ্ঠান ‘দক্ষিণ কলিকাতা সেবক সমিতি’-র উদ্যোগে গত রবিবার পদ্মপুকুর ইনস্টিটিউশনে ‘বীরত্ব ও বিবেক’ শীর্ষক এক স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হলো।

​অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নেতাজি বিশেষজ্ঞ ড. জয়ন্ত চৌধুরী। তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জীবনে স্বামী বিবেকানন্দ ও শ্রীরামকৃষ্ণদেবের গভীর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। গবেষণালব্ধ বিভিন্ন অল্পজ্ঞাত তথ্য তুলে ধরে ড. চৌধুরী জানান যে, স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শের এক জীবন্ত বিগ্রহ ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু।

​অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে নেতাজির রহস্যময় অন্তর্ধান এবং তাঁর বিবাহ ও পরিবার সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রচলিত তথ্যের সত্যতা নিয়ে আকর্ষণীয় আলোচনা চলে। উপস্থিত সকলেই সর্বসম্মতভাবে দুটি দাবি সমর্থন করেন— প্রথমত, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজির মৃত্যুর যে দিনক্ষণ সরকারিভাবে প্রচারিত, তা বাতিল করা এবং দ্বিতীয়ত, ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা।

​দক্ষিণ কলিকাতা সেবক সমিতির সভাপতি পার্থসারথি নাথ, সম্পাদক সন্দীপ দত্ত ও পরিচালন সমিতির সদস্যা প্রিয়াঙ্কা করাতি এই শতাব্দীপ্রাচীন প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিবেকানন্দ ও নেতাজির জীবনের নানা দুর্লভ ছবির একটি প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছিল।

​সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীতশিল্পী ড. বনানী দের কণ্ঠে 'তোমারে করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা' এবং সাংবাদিক গোপাল দাসের কণ্ঠে 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে' গান দুটি উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের শেষে সমবেত ‘জয় হিন্দ’ ধ্বনি ও জাতীয় সংগীতের মূর্ছনা এক অনন্য পরিবেশ তৈরি করে।

হিন্দুস্থান সমাচার / ফারজানা পারভিন




 

 rajesh pande