উন্নয়নের দাবির মাঝে গোলাঘাটিতে বাঁশের মাচাই ভরসা, পাকা কালভার্টের দাবি জোরদার
আগরতলা, ২ মার্চ (হি.স.) : উন্নয়নের জোয়ারের দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে ১৭ গোলাঘাটি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার কাঞ্চনমালা অঞ্চলে। কাঞ্চনমালা ১ নং ওয়ার্ডের বগারচতল এলাকায় আজও মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বাঁশের মাচা। পাকা কালভার্টের
বাঁশের মাচা দিয়ে যাতায়াত


আগরতলা, ২ মার্চ (হি.স.) : উন্নয়নের জোয়ারের দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে ১৭ গোলাঘাটি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার কাঞ্চনমালা অঞ্চলে। কাঞ্চনমালা ১ নং ওয়ার্ডের বগারচতল এলাকায় আজও মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বাঁশের মাচা। পাকা কালভার্টের অভাবে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রাজ্য সরকার সার্বিক উন্নয়নের কথা বললেও অভিযোগ, গোলাঘাটি বিধানসভা এলাকায় তার প্রতিফলন তেমন দেখা যায়নি। বিশেষ করে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যত থমকে রয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। কোথাও কাঁচা রাস্তা, কোথাও ভাঙাচোরা পথ, আবার কোথাও পাকা কালভার্টের পরিবর্তে অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো—এই অবস্থাতেই দিন কাটছে বহু পরিবারের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বগারচতল এলাকার এই বাঁশের মাচা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনাও ঘটেছে। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রী থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সকলেরই প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করা ছাড়া বিকল্প নেই।

এলাকাবাসীর দাবি, বহুবার সংশ্লিষ্ট দফতর ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিযোগ, নির্বাচন এলেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু ভোট পর্ব মিটতেই সেই প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়িত হয় না। ফলে বছরের পর বছর একই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

সোমবার কাঞ্চনমালা ১ নং ওয়ার্ডের বগারচতল এলাকার বাসিন্দারা সরকারের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, অবিলম্বে বাঁশের মাচা সরিয়ে একটি পাকা কালভার্ট নির্মাণ করা হোক, যাতে নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করা যায় এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande