
গুয়াহাটি, ২০ মাৰ্চ (হি.স.) : উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে সবুজ শক্তি ও স্থির উন্নয়নের অঙ্গীকার পূরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অব্যাহত রেখেছে এবং বিভিন্ন ডিভিশন ও ইউনিটে সৌরশক্তি স্থাপনের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট উন্নতি সাধন করেছে।
উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা আজ এক প্রেস বিবৃতিতে খবর দিয়ে জানান, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত, ২০১১-এ সৌরশক্তি ব্যবহারের পদক্ষেপ গ্রহণের সূচনা থেকে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়েতে মোট স্থাপিত সৌর সক্ষমতা ৩১.৮৯০ এমডব্লিউপি-এ পৌঁছেছে। কেবল বর্তমান অর্থবছর ২০২৫-২৬-এর সময়কালেই ২২.৭৩৪ এমডব্লিউপি অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যা নবীকরণযোগ্য শক্তি গ্রহণের লক্ষ্যে ত্বরান্বিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন।
ডিভিশনগুলিতে লামডিং (গুয়াহাটি অংশ সহ) সর্বোচ্চ ১৩.৩৩৪ এমডব্লিউপি-র প্রতিস্থাপন করেছে। তার পর ৮.৯৪১ এমডব্লিউপি প্রতিস্থাপন সহ রঙিয়া ডিভিশনের স্থান রয়েছে।
সৌর প্রকল্প স্থাপনের ফলে উল্লেখযোগ্য পরিচালনগত সুবিধা অর্জিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) সময়কালে গড় মাসিক সৌরশক্তি উৎপাদন প্রায় ৯.১৮ লক্ষ ইউনিট দাঁড়িয়েছে। যার ফলে প্রায় ৬৮.৮০ লক্ষ টাকা গড় মাসিক আর্থিক সাশ্রয় হয়েছে। এটি কার্বন ফুট প্রিন্ট হ্রাস করার পাশাপাশি শক্তির ব্যয় হ্রাসকে সর্বোত্তম পর্যায়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়।
কপিঞ্জল কিশোর জানান, সবুজশক্তি পোর্টফোলিওকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অন্তর্গত বিভিন্ন ডিভিশনে প্রায় ১৯.১৪ এমডব্লিউপি-র অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন আছে। লামডিং, রঙিয়া, কাটিহার এবং আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে বেশ কিছু বড় স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এগুলি অদূর ভবিষ্যতে সামগ্রিক নবীকরণযোগ্য শক্তি সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে, জানানো হয়েছে প্ৰেস বিবৃতিতে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস