মনোনয়নের হলফনামায় সামাজিক মাধ্যমের তথ্য বাধ্যতামূলক, বিজ্ঞাপনে পূর্বানুমোদনে জোর কমিশনের
হাইলাকান্দি (অসম), ২১ মাৰ্চ (হি.স.) : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে মনোনয়ন দাখিলের সময় প্রার্থীদের হলফনামায় নিজেদের ব্যবহৃত সকল সামাজিক মাধ্যমের হিসাব উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে সামাজিক মাধ্যম, বিশেষত ফেসবুক সহ
মনোনয়নের হলফনামায় সামাজিক মাধ্যমের তথ্য বাধ্যতামূলক, বিজ্ঞাপনে পূর্বানুমোদনে জোর কমিশনের


হাইলাকান্দি (অসম), ২১ মাৰ্চ (হি.স.) : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে মনোনয়ন দাখিলের সময় প্রার্থীদের হলফনামায় নিজেদের ব্যবহৃত সকল সামাজিক মাধ্যমের হিসাব উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে সামাজিক মাধ্যম, বিশেষত ফেসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যম নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় এই বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী প্রচারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমিশন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে কোনও রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সংগঠনকে বৈদ্যুতিন ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত সকল বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম শংসাপত্র ও পর্যবেক্ষণ কমিটি (এমসিএমসি)-র কাছ থেকে পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নিয়ম দূরদর্শন, বেতার, ডিজিটাল প্রদর্শন, ই-পত্রিকা, গণবার্তা বা কণ্ঠবার্তা সহ সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

বিশেষভাবে জানানো হয়েছে, জেলা স্তরে প্রার্থীরা জেলা পর্যায়ের এমসিএমসি–র মাধ্যমে অনুমোদনের জন্য আবেদন করবেন এবং রাজ্যস্তরের রাজনৈতিক দলগুলি রাজ্য পর্যায়ের এমসিএমসি–র কাছে আবেদন জানাবে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই আবেদন জমা দিতে হবে। এছাড়া, এমসিএমসি-র সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য রাজ্যস্তরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নেতৃত্বে একটি আপিল কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নির্দেশিকায় আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনও ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন ইন্টারনেট বা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত সংবাদ (পেইড নিউজ) সংক্রান্ত সম্ভাব্য অনিয়মের ওপর কঠোর নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন দাখিলের সময় প্রার্থীদের তাঁদের প্রকৃত সামাজিক মাধ্যমের সকল হিসাবের বিবরণ হলফনামায় উল্লেখ করতে হবে।

পাশাপাশি, নির্বাচনী প্রচারে ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের যাবতীয় ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন শেষ হওয়ার ৭৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে। এই ব্যয়ের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার, বিষয়বস্তু তৈরির খরচ এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande