সড়ক দুর্ঘটনায় ‘ফরসা বাবা’র মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা; পাথর নিক্ষেপ-বিক্ষোভ, ১৩ জন গ্রেফতার
মথুরা, ২২ মার্চ (হি.স.) : উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ‘ফরসা বাবা’ নামে পরিচিত গো-রক্ষক চন্দ্রশেখরের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শনিবার এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় এবং পুলিশের সঙ্গে
সড়ক দুর্ঘটনায় ‘ফরসা বাবা’র মৃত্যু ঘিরে তীব্র উত্তেজনা, পাথর ছোড়া-বিক্ষোভ; ১৩ জন গ্রেফতার


মথুরা, ২২ মার্চ (হি.স.) : উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ‘ফরসা বাবা’ নামে পরিচিত গো-রক্ষক চন্দ্রশেখরের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শনিবার এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। রবিবার জানা গেছে, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর রাতে কোসিকালন এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় চন্দ্রশেখরের মৃত্যু হয়। অভিযোগ, এই ঘটনার পর তাঁর সমর্থকেরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং দিল্লি-আগ্রা জাতীয় সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু বিক্ষোভকারী পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে। এতে একাধিক পুলিশকর্মী আহত হন এবং কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়।

পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যার মধ্যে হরিয়ানা থেকে আসা কয়েকজনও রয়েছে। এছাড়া ৩০ জনের বিরুদ্ধে নামজদ মামলা এবং প্রায় ২৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার পুলিশ জানায়, সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। তাই সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কেউ গুজব বা উসকানিমূলক পোস্ট না করেন। ইতিমধ্যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজের ভিত্তিতে আরও অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande