রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দ্রুত অবনতির অভিযোগ শমীক ভট্টাচার্যর
কলকাতা, ৪ মার্চ, (হি.স.): “নির্বাচনের দামামা বেজে গেছে। বাংলা এবং বাঙালির লজ্জা হলেও পশ্চিমবঙ্গ বাসীকে দেখতে হচ্ছে নির্বাচন ঘোষণার আগেই বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘোরাফেরা করছে। এর দায়িত্ব কে নেবে? গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কে নেবে?
রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দ্রুত অবনতির অভিযোগ শমীক ভট্টাচার্যর


কলকাতা, ৪ মার্চ, (হি.স.): “নির্বাচনের দামামা বেজে গেছে। বাংলা এবং বাঙালির লজ্জা হলেও পশ্চিমবঙ্গ বাসীকে দেখতে হচ্ছে নির্বাচন ঘোষণার আগেই বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘোরাফেরা করছে। এর দায়িত্ব কে নেবে? গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কে নেবে?” বুধবার রাজ্য বিজেপির সল্টলেক কার্যালয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, “সারা দেশের সামনে মুখ পুড়ছে বাঙালির। শেষ মুহূর্তে তৃণমূল অপরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করছে বিজেপি কর্মীদের উপর। এখন দুষ্কৃতী এবং তৃণমূল সমার্থক হয়ে গেছে। ভীমপুর, কলকাতার ৯৭, ৯৮, ৯৯ নং, ৯৯ ওয়ার্ডের কর্মীদের উপর হামলা করা হয়। ৯৯ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী তানিয়া দাসের উপর হামলা করা হয়। তাঁর ছেলে তনয় দাস কোনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকা সত্বেও তৃণমূলের কর্মীরা তাঁকে আক্রমণ করেছে।

শমীকবাবু বলেন, “গৌরব কুণ্ডু, ইস্টবেঙ্গল খেলোয়ার সুগত কুণ্ডু, আইনজীবী চন্দন সাহা, সিএম ফ্রান্সিস সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করা হয়। মুর্শিদাবাদ, তারকেশ্বর, উত্তর ২৪ পরগণা সর্বত্র হামলা করা হচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের ঘর ছাড়া করা শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। জেলায় জেলায় নতুন ফরমান ঘোষণা করছে তৃণমূল। এই সরকারের হাত থেকে বিচারপতি, শিল্পপতি কেউ বাদ যায় না।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande